বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচি-চৌহালী সংসদীয় আসনে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের জনসভায়, মেজর (অঃ) মঞ্জুর কাদের জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাক: বঙ্গভবনের প্রোগ্রামার ছরওয়ারে আলম আটক গণসংযোগে ব‍্যস্ত শেরপুর-২ আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া চরফ্যাশনে রাতের আঁধারে উধাও সরকারি খাদ্য গুদামের ভবন পটুয়াখালী কালেক্টরেট স্কুলের নবম শ্রেণির ফলাফল নিয়ে মানব বন্ধনের জেরে ছাত্র নিখোঁজের অভিযোগ চুয়াডাঙ্গায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত কর্মজীবী নারী পতিতা’ বলেছেন জামাত প্রধান। তাই নারী হেনস্তা? হিন্দু বলে নির্যাতন? কুড়িগ্রাম DC ডিসি অন্নপূর্ণা দেবনাথ কোণঠাসার কারণ কি? তিনি হিন্দু? না তিনি নারী? জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণাকে অভিবাদন যে তিনি অনড়। গাইবান্ধায় আলু চাষীদের নিয়ে গুণগত মান শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত ঠেলার নাম বাবাজি, আস্তে আস্তে বলা শুরু করেছেন— আমরাও ‘হ্যাঁ’: জামায়াত আমির পলাশবাড়ীতে চ্যানেল এস এর বর্ষপূর্তি পালিত 

পাকিস্তানে ‘ভারতসমর্থিত’ ৪১ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে পৃথক দুটি গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযানে (আইবিও) ৪১ জন ‘ভারতসমর্থিত’ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে আইএসপিআর জানায়, নিহত সন্ত্রাসীরা ভারতের মদদপুষ্ট বলে দাবি করা সংগঠন ‘ফিতনা আল-খারিজ’ ও ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সঙ্গে যুক্ত ছিল। ২৯ জানুয়ারি বেলুচিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান চালানো হয়।

আইএসপিআর জানায়, হরনাই জেলার উপকণ্ঠে ‘ফিতনা আল-খারিজ’-এর উপস্থিতির তথ্যের ভিত্তিতে একটি অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের আস্তানায় কার্যকরভাবে আঘাত হানে। তীব্র গোলাগুলির পর ৩০ জন ‘ভারতসমর্থিত খারিজ’ নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার করে সেখানেই ধ্বংস করা হয়েছে।

আরেকটি গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয় পাঞ্জগুর জেলায়। সেখানে একটি সন্ত্রাসী আস্তানা ধ্বংস করা হয় এবং ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর ১১ জন ‘ভারতসমর্থিত’ সন্ত্রাসী নিহত হয়। আইএসপিআর জানায়, উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পাশাপাশি ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর পাঞ্জগুরে সংঘটিত এক ব্যাংক ডাকাতির লুটের টাকাও নিহত সন্ত্রাসীদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা অতীতে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল বলে দাবি করা হয়।

আইএসপিআর আরও জানায়, এলাকায় অন্য কোনো ‘ভারতসমর্থিত’ সন্ত্রাসী আছে কিনা তা নিশ্চিত করতে স্যানিটাইজেশন অভিযান চলমান রয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ ভিশনের আওতায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোর ধারাবাহিক সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান পূর্ণ গতিতে চলবে, যাতে বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করা যায়।

২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর থেকে পাকিস্তানে সীমান্ত-পার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে জানানো হয়। আফগানিস্তান-সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) ও বালুচিস্তান প্রদেশ এসব হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আইএসপিআরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরিফ চৌধুরী গত ৬ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, ২০২৫ সালে দেশজুড়ে মোট ৭৫ হাজার ১৭৫টি গোয়েন্দা-ভিত্তিক অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে কেপিতে ১৪ হাজার ৬৫৮টি, বেলুচিস্তানে ৫৮ হাজার ৭৭৮টি এবং দেশের অন্যান্য অংশে ১ হাজার ৭৩৯টি অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও জানান, গত বছর সারা দেশে মোট ৫ হাজার ৩৯৭টি সন্ত্রাসী ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কেপিতে ৩ হাজার ৮১১টি, বেলুচিস্তানে ১ হাজার ৫৫৭টি এবং অন্যান্য এলাকায় ২৯টি ঘটনা ঘটে। সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে গত বছরে মোট ২ হাজার ৫৯৭ জন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

চৌধুরীর দাবি, দেশের ১০টি বড় সন্ত্রাসী হামলার ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও নরম লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে এবং এসব হামলায় আফগান সন্ত্রাসীরা জড়িত ছিল।,

 

 



লাইক করুন