শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে নববুধসহ দু নারীর মৃত্যু অযত্ন-অবহেলায় ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে বেলকুচি টেলিফোন অফিস, পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবনের অভিযোগ তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির অর্থায়নে গ্রামবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তার কাজ বন্ধ চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার  দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান, পাকা সড়কে স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর

অকাল পিতৃহারা অথৈ’র কৃতিত্ব, এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫

বি.এম. সাদ্দাম হোসেন, স্টাফ রিপোর্টারঃ এসএসসি ২০২৫ সালের পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে অনন্য কৃতিত্ব অর্জন করেছে মোমিন গার্লস সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অথৈ মিত্র। সে ১২৭৮ নম্বর পেয়ে গোল্ডেন জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। মেধা, অধ্যবসায় এবং পারিবারিক সংগ্রামের এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে এই শিক্ষার্থী।

অথৈর বাবা, সদ্য প্রয়াত সুশান্ত কুমার মিত্র, যশোর সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার অকাল মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। বাবার মৃত্যুর কিছুদিন পরেই মেয়েকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে হয়। কঠিন মানসিক অবস্থার মধ্যেও নিজেকে সামলে নিয়ে পরীক্ষায় অসাধারণ ফল করেছে অথৈ।

অথৈর মা তৃপ্তি রানী ঘোষ যশোর জিলা স্কুলের সহকারী শিক্ষক। স্বামীর মৃত্যুপরবর্তী কঠিন সময়ে মেয়েকে সাহস জুগিয়েছেন তিনি। সন্তানকে মানসিকভাবে শক্ত রাখতে একজন মায়ের ভূমিকা পালন করার পাশাপাশি একজন শিক্ষকের ধৈর্য ও সহানুভূতির পরিচয় দিয়েছেন।

যশোর শিক্ষা বোর্ড এখনো মেধাতালিকা প্রকাশ করেনি। তবে প্রাপ্ত নম্বর ও সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা মনে করছেন, বোর্ডের শীর্ষ মেধাবীদের তালিকায় অথৈর নাম আসা সময়ের ব্যাপার মাত্র।

এ বিষয়ে মাগুরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক (সামাজিক বিজ্ঞান) মৃত্যুঞ্জয় ঘোষ বলেন, “অথৈর সাফল্য শুধু শিক্ষাগত নয়, এটি একটি জীবনের বিজয়। বাবার শোক ও চাপের মধ্যে থেকেও সে যেভাবে একাগ্রতা বজায় রেখে পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জন করেছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।”

অথৈ মিত্রের এই অর্জনে তার পরিবার, বিদ্যালয় এবং এলাকার মানুষ অত্যন্ত গর্বিত। মাগুরাবাসীর পক্ষ থেকে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, যেন এই মেধাবী ছাত্রী আগামীতেও সফলতা অর্জন করতে পারে এবং দেশের সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে একদিন জাতির অগ্রগতিতে অবদান রাখতে পারে।



লাইক করুন