বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচিতে রোজার শুরুতেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যর দাম চড়া সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এমডি হলেন নাবিল মোস্তাফিজুর রহমান রায়গঞ্জ প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক কমিটি গঠন, সভাপতি আব্বাসী সম্পাদক মুক্তাদীর জুলাইয়ের সঙ্গে গাদ্দারি করে বিএনপি সরকারের যাত্রা শুরু: সারজিস তারেক রহমানের নেতৃত্বে শপথ নিলেন বিএনপি দলীয় এমপিরা শপথে উপস্থিত থাকবেন উপদেষ্টারা, ফিরবেন পতাকাবিহীন গাড়িতে ১০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে আ.লীগ নেতার ওপর যুবদল কর্মীর হামলা এনায়েতপুরে আইসিএল স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ডের নামে অর্থ আদায়, ফতুল্লায় প্রতারণার অভিযোগ চাঁপাইনবাবগঞ্জে ককটেল বিস্ফোরণ : মূলহোতা যুবলীগ নেতা দুলাল গ্রেপ্তার

বেলকুচিতে রোজার শুরুতেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যর দাম চড়া

আব্দুর রাজ্জাক বাবু,সিরাজগঞ্জ: সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পবিত্র রমজান শুরুর প্রথম দিনেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে গেছে। বেলকুচির চালা ও মুকুন্দগাতি বাজার ঘুরে দেখা যায় চাউল থেকে শুরু করে তেল,ডাল,ছোলা সব কিছুরই দাম বেড়ে গেছে, এক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি লেবু ১২০-১২৫ টাকায় বিক্রি হলেও আজ চালা বাজারে প্রতি কেজি লেবু ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা চাউলের দাম না বাড়লেও ভাল মানের চিকন চাউল ৬৫-৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে,আগের দামের চেয়ে কেজিতে প্রায় ৬-৮ টাকা বেড়েছে, যে ছোলা রোজার আগে ৭৯ টাকা দামে বিক্রি হয়েছে বর্তমান সেই ছোলা বেড়ে ৯০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।কয়েক দিনের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে গিয়েছে, এতে সাধারণ ক্রেতারা বিপাকে পড়েছেন,বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে চলে গেছে। এতে সাধারণ মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বেলকুচির উপজেলার চালা বাজার,মুকুন্দগাতী বাজারে ঘুরে দেখা যায় রমজানে সব চেয়ে যে সব পণ্য বেশী ব্যবহার করা হয়, চাল, তেল, চিনি, ডাল,ছোলা,খেজুর সবজি সেই সব খাদ্যদ্রব্য কয়েক দিনের ব্যবধানে অনেকটাই বেড়েছে,লেবু ও বেগুনের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়েছে,খোলা সয়াবিন তেল লিটার ২০০-২০৫ টাকা মসুর ডাল ১১০-১১৫ টাকা,খেজুর মান অনুযায়ী ৫০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত দাম চাওয়া হচ্ছে, প্রতি কেজি আলু ২০ টাকা, পেঁয়াজ ৫০ টাকা, বেগুন ৬৫ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকা, রসুন ১৬০-২০০ টাকা,আদা ১৫০ টাকা, চিনি ১০০-১১০ টাকা,মুড়ি ৯০-১৪০ টাকা,এদিকে মাছ মাংস দাম বেড়েছে,গরুর মাংস ৭৫০ টাকা,ব্রয়লার মুরগী ১৯০ টাকা,দেশী মুরগী ৬০০ টাকা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে,পুকুরে চাষ করা রুই, কাতলা, মৃগেল মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা দামে বিক্রি করা হয়েছে।

চালা বাজারে মোতালেব সরকার বলেন, রোজা এলেই বাজারে আগুন লাগে। লেবু, শসা, বেগুনের দাম শুনে মাথা ঘুরে যায়। সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

মুকুন্দগাতী বাজারে ফল কিনতে আসা সাইফুল ইসলাম বলেন, রমজান সামনে রেখে কিছু ফল কিনতে এসেছি; কিন্তু দাম এত বেশি যে প্রয়োজনের অর্ধেকও কেনা যাচ্ছে না। এভাবে চললে সাধারণ মানুষের অবস্থা কী হবে।

এ দিকে বিক্রেতারা বলছেন, পরিবহন ব্যয়, আড়তদারি কমিশন ও সংরক্ষণ খরচ বাড়ায় খুচরায় তার প্রভাব পড়ছে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, রোজাকে ঘিরে একটি শ্রেণী অতি মুনাফার আশায় দাম বাড়িয়ে দেয়।

নাসির উদ্দীন নামের এক ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, রমজান এলেই অসাধুব্যবসায়ীরা নিত্যপণ্য খাদ্য দ্রব্যের দাম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাড়িয়ে দেয়,তিনি বলেন,এই রমজানে প্রশাসন যেন প্রতি দিন বাজার মনিটরিং করে দ্রব্যমুল্য নিয়ন্ত্রন রাখে এটাই তার প্রত্যাশা



লাইক করুন