নিজস্ব প্রতিবেদক: অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিদায়ী বৈঠকে বসেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এ সময় সরকার পরিচালনায় সহযোগিতার জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা। একই সঙ্গে সরকার গঠনের সময় নির্ধারিত লক্ষ্যগুলোর বেশিরভাগ অর্জিত হয়েছে বলে সন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের আগে নিজের কার্যালয়ে সচিবদের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা এ বৈঠকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, বৈঠকে প্রায় ৭০ জন সচিব অংশ নেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছিল তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। বাকি অসম্পূর্ণ কাজগুলো পরবর্তী সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক সচিব জানান, মূলত সরকারি কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
আরেক সচিব প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমরা তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ শুরু করেছিলাম—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। নানা কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি আমরা কিছু সুপারিশ ও প্রস্তাব রেখে যাচ্ছি। আশা করছি, পরবর্তী সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।’
সূত্র জানায়, বৈঠকে সচিবদের পক্ষে বক্তব্য দেন শুধু মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে সম্মানের হিসেবে উল্লেখ করেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের আগে নিজের কার্যালয়ে সচিবদের সঙ্গে এক সংক্ষিপ্ত বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা। সংশ্লিষ্ট সূত্র বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিট থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলা এ বৈঠকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। জানা যায়, বৈঠকে প্রায় ৭০ জন সচিব অংশ নেন।
বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় যে লক্ষ্য ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছিল তার অধিকাংশই বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে। বাকি অসম্পূর্ণ কাজগুলো পরবর্তী সরকার এগিয়ে নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এক সচিব জানান, মূলত সরকারি কর্মকাণ্ডে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানাতেই এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়।
আরেক সচিব প্রধান উপদেষ্টার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলেন, ‘আমরা তিনটি বিষয়কে সামনে রেখে কাজ শুরু করেছিলাম—সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন। নানা কাঠামোগত সংস্কারের পাশাপাশি আমরা কিছু সুপারিশ ও প্রস্তাব রেখে যাচ্ছি। আশা করছি, পরবর্তী সরকার সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।’
সূত্র জানায়, বৈঠকে সচিবদের পক্ষে বক্তব্য দেন শুধু মন্ত্রিপরিষদ সচিব। তিনি প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ও উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে সম্মানের হিসেবে উল্লেখ করেন।,