বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোভে পড়ে আপনারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েছেন’: গভর্নর ইস্যুতে ফাহাম আব্দুস সালাম চুয়াডাঙ্গা-১ ও -২ আসনের সাংসদদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সৌজন্য সাক্ষাৎ আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জামিন পেলেই ফের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দুই লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় মাদ্রাসার কাজ বন্ধ করে দিলেন বিএনপি নেতা দামুড়হুদায় ভাড়াটে বাহিনীর তাণ্ডব: দুই ভাই মৃত্যুর মুখে, উত্তাল রাজপথ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন সেন্টমার্টিনের সাংবাদিক আ. মালেক বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির চুয়াডাঙ্গার হাউলী ইউনিয়ন পরিষদে টিসিবি পণ্য ও ভি ডব্লিউ বি চাউল বিতরণ  দর্শনায় বিএনপি কর্মীকে কুপিয়ে জখম মামলায় আওয়ামী লীগের ৪ কর্মী গ্রেফতার  প্রসিকিউটর সুলতানকে সরাতে দেড় মাস আগে চিঠি দিয়েছিলেন তাজুল ইসলাম

বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির

নিজস্ব প্রতিবেদক: তৎকালীন (আওয়ামী লীগ) সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে বিডিয়ার হত্যাকাণ্ডের যোগসূত্র ছিল বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সে কারণেই প্রকৃত তদন্ত প্রতিবেদন আজও জনসমক্ষে আনা হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানী কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের কবর জিয়ারত শেষে গণমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।,

শফিকুর রহমান বলেন, এখন বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায়। বিএনপি যদি বিডিআর হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে না পারে, তবে এটি হবে তাদের চরম ব্যর্থতা। অবিলম্বে এ হত্যাকাণ্ডের পুনঃতদন্ত এবং নেপথ্যে থাকা প্রধান ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহের নামে যা ঘটেছিল, তা ছিল মূলত দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে সামরিকভাবে দুর্বল করার এক সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র। ওইদিন যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের আগে থেকেই পরিকল্পনা করে টার্গেট করা হয়েছিল। এটি কোনো আকস্মিক ঘটনা ছিল না।

২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তরে বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিচার ও নেপথ্যের কারণ নিয়ে এখনো রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক রয়ে গেছে।,



লাইক করুন