*International Women’s Day মূলত জন্ম নিয়েছিল নারীর অধিকার, মর্যাদা এবং সমতার দাবির আন্দোলন থেকে। ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কে নারী শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি, কাজের সময় কমানো এবং ভোটাধিকার দাবিতে আন্দোলনে নামেন। পরবর্তীতে ১৯১০ সালে কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক নারী সম্মেলনে জার্মান সমাজতান্ত্রিক নেত্রী Clara Zetkin এর নেতৃত্ব দেন। পরবর্তীতে ১৯৭৫ সালে United Nations আনুষ্ঠানিকভাবে ৮ মার্চকে আন্তর্জাতিক নারী দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
নারী’ শুধু একটি নাম নয়, তিনি মা, শিক্ষক, পথপ্রদর্শক এবং একটি পরিবারের ভিত্তি।
মহাত্মা গান্ধী নারীর শক্তি সম্পর্কে বলেছিলেন,
“To call woman the weaker sex is a libel; it is man’s injustice to woman.”(নারীকে দুর্বল বলা একটি অপবাদ; এটি পুরুষের অন্যায়।) নারী দুর্বল হলে পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন দায়িত্ব, সন্তান জন্ম দেওয়া, তাকে লালন-পালন করা এবং শত প্রতিকূলতার মধ্যেও পরিবারকে ধরে রাখা, এসব সম্ভব হতো না।
ফরাসি সম্রাট Napoleon Bonaparte বলেছিলেন,
“Give me an educated mother, I shall promise you the birth of a civilized nation.”
(আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও, আমি তোমাকে একটি সভ্য জাতি উপহার দেব।) একটি জাতির ভবিষ্যৎ তৈরি হয় মায়ের কোলে, তার শিক্ষা, তার মূল্যবোধ এবং তার চরিত্রের ভেতর দিয়ে। তিনি নিজের কষ্ট আড়াল করে অন্যের সুখ তৈরি করেন। তিনি ভেঙে পড়লেও আবার উঠে দাঁড়ান। তিনি সব হারিয়েও আবার নতুন করে গড়তে জানেন। তাই নারী যেখানে অবহেলিত, নির্যাতিত এবং অধিকারবঞ্চিত, সেখানে উন্নতির সব কাঠামোই ভঙ্গুর ও অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কারন পৃথিবীর অর্ধেক জনগোষ্ঠীকে পর্দার আড়ালে পঙ্গু করে রেখে, কোন জাতিই উন্নতির সোপানে পদার্পণ করতে পারেনা।
“নারীর অবমূল্যায়ন শুধু একজন মানুষকে ছোট করে না; বরং একটি সমাজের ভবিষ্যৎ শক্তিকেই ধ্বংস করে ফেলে।” (এড. তানজিনা তানি)