রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ডের নামে চেকবই চুরির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে উত্তরাঞ্চলে নতুন সড়ক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হওয়ার সম্ভাবনা শোক সংবাদ ইন্না ইলাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ” গার্ড অব অনারের মাধ্যমে রাষ্টীয় মর্যাদায় প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত।  সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের মুক্তি আটক নিপীড়িত সাংবাদিকদের পাশে সব সময় থাকবে বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বেলকুচিতে ১০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও পাচ্ছেন সবোর্চ্চ ৮ কেজি  ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিবন্ধীতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের ডাক চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে চলছে নানা আলোচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম

বেলকুচিতে ১০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও পাচ্ছেন সবোর্চ্চ ৮ কেজি 

আব্দুর রাজ্জাক বাবু, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের বেলকুচি পৌরসভায় (ভিজিএফ) কর্মসূচির চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ভিজিএফ কার্ড ধারী ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ৮ কেজি চাল। ওজনে কম দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

শনিবার (১৪ মার্চ)সকালে বেলকুচি পৌরসভায় চাল বিতরণের সময় সরেজমিনে গিয়ে এ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পৌরসভায় ৪ হাজার ৬০০ জনকে ১০ কেজি ভিজিএফ কার্ড দেওয়া হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ১০ কেজি দেওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তবে ওজন করলে দেখা যায় ৮ কেজি।  ডিজিটাল স্কেলে করে মেপে দেওয়ার কথা থাকলেও তা না করে বালতিতে করে কোনো রকম দায়সারাভাবে চাল দেওয়া হচ্ছে কার্ডধারীদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানান, চাল বন্টনে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান দায়িত্বে আছে। সে তার ইচ্ছে মত বাইরে থেকে লোক নিয়ে এসে ৮ কেজি করে কার্ডধারীদের চাল বিতরণ করেছেন। এখানে আমাদের কোন ভূমিকা ছিলো না।

একাধিক কার্ডধারী বলেন, আমাদের বলা হয় ১০ কেজি চাল দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু মেপে দেখা গেছে দুই কেজি কম। আমরা গরিব মানুষ যা দেবে তাই নিতে হবে। আমরা তো আর কথা বলতে পারি না।

ভুক্তভোগী এক বৃদ্ধা আক্ষেপ করে বলেন, বাবা সরকার তো ১০ কেজি দেছে। আমাগো কেন ৮ কেজি করে দেয়? হেরা কি আমাগো পেটের ভাতও কাইড়া নেবে।

এ বিষয়ে পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন নিয়ম মেনেই আমরা চাল বিতরণ করেছি। মাপে কোন রকম কম দেইনি।

এ বিষয়ে পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা লুৎফর রহমান এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।



লাইক করুন