শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মেহেরপুর গাংনীতে ছাত্রীরা দ্বায়ের করা মামলায় শিক্ষক কারাগারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, ‘বন্ধ হয়ে থাকা এয়ারপোর্টগুলো চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। ভাষার অমিয়সুধা প্রসঙ্গে  জামালপুরের গর্ব: বাংলাদেশের প্রথম Airbus A330 ক্যাপ্টেন আলী আজমের ঐতিহাসিক সাফল্য শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’র প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক এমপি কে ‘জিওপি নেতৃবৃন্দ’র শুভেচ্ছা আলমডাঙ্গা উপজেলার কালিদাসপুর ইউনিয়নের ডম্বলপুর গ্রামে জমি দখলের উদ্দেশ্যে একটি সংঘবদ্ধ হামলা মূল্যবৃদ্ধির চাপে পুষ্টিহীনতা উদ্বেগজনক: দেশে ১১.৯ শতাংশ মানুষ অপুষ্টিতে জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ: পিতা-পুত্রসহ ৭ জন আহত, ঘরবাড়ি ও ৩ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর আমাদের দ্বিতীয় লড়াই শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে: জামায়াত আমির দৌলতখানে অর্ধশতাধিক পরিবার পেল ‘নির্ভর ফাউন্ডেশন’ এর ইফতার সামগ্রী  

জমিজমা বিরোধে সংঘর্ষ: পিতা-পুত্রসহ ৭ জন আহত, ঘরবাড়ি ও ৩ টি মোটরসাইকেল ভাংচুর

মোঃ নাঈম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা। চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামে জমিজমা সংক্রান্ত পারিবারিক দ্বন্দ্ব রূপ নেয় খুনোখুনির মতো সংঘর্ষে।

শুক্রবার (২৭শে ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পিতা নুর ইসলাম (৬৫) ও তার ছেলে সাইদুর রহমান (৩৩) সহ সাতজন আহত হয়েছেন। এসময় ঘরবাড়ি ভাঙচুরের সঙ্গে তিনটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চলা জমিজমা বিষয়ক বিরোধের জেরেই পিতা-পুত্রের মধ্যে তর্কের উত্তেজনা চরমে পৌছায়। অভিযোগ রয়েছে, সাইদুর রহমানের শ্বশুরকূলের লোকজন মোটরসাইকেলে করে সাত-আটজনকে নিয়ে গ্রামে ঢুকে পিতা নুর ইসলামের ওপর চড়াও হয়। ঘটনার কারণে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে স্থানীয়রা হামলাকারীদের ধাওয়া করে আটক করে গণপিটুনি দেয়। হামলার সময় তিনটি মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার পর চারজনকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার সময় ঘরবাড়ি ও আসবাবপত্র ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়। দরজা-জানালা ভেঙে যাওয়ায় নারী ও শিশু সহ গ্রামবাসীর মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনা থানার উপ-পরিদর্শক (এএসআই) নজরুল ইসলাম বলেন, পিতা-পুত্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের কলহ এবং বাকবিতণ্ডার জেরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পরে শ্বশুরপক্ষের লোকজন এসে আরও উত্তেজনা সৃষ্টি করে। স্থানীয়রা তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয় পরে তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয় ।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) হিমেল রানা জানান, বিষয়টি আমি শুনেছি উভয় পক্ষের কেউ এখনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



লাইক করুন