বি.এম. সাদ্দাম হোসেন ; স্টাফ রিপোর্টারঃ রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন লেখক ও বিশ্লেষক । তিনি অভিযোগ করেছেন, আন্দোলনের আদর্শের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কিছু ব্যক্তি বিভিন্ন এজেন্সির প্রভাবের কাছে নতি স্বীকার করেছেন। তার বক্তব্যে বিশেষভাবে উঠে এসেছে -এর নাম।
এক বক্তব্যে শাহরিয়ার কবির বলেন, যারা ‘জুলাই সনদ’-এর আদর্শ থেকে সরে গিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থে বা বাইরের প্রভাবের কাছে নিজেদের বিকিয়ে দিয়েছেন, তাদের জন্য দলের পক্ষ থেকে কঠোর বার্তা থাকা উচিত। তিনি দাবি করেন, এমন ব্যক্তিদের আর ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত হতাশা, পদ না পাওয়া কিংবা রাজনৈতিক ব্যর্থতার কারণে যারা দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে সমালোচনা করছেন, তাদের অবিলম্বে দল থেকে বহিষ্কার করা উচিত। তার ভাষায়, এসব ব্যক্তি আন্দোলনের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে এখন ভিন্ন শক্তির হয়ে কাজ করছেন।
শাহরিয়ার কবিরের অভিযোগ, সামান্তা শারমিন নিজের অবস্থান থেকে কথা বলছেন না; বরং বিভিন্ন এজেন্সির প্রভাবে যা বলা হচ্ছে, তা-ই তিনি প্রকাশ্যে তুলে ধরছেন। তিনি মন্তব্য করেন, আন্দোলনের আদর্শকে ব্যবহার করে যারা পরে অন্য শক্তির হয়ে কাজ করেন, তাদের জায়গা রাজনৈতিক অঙ্গনে নয়।
নির্বাচনী প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, কিছু নেতার পরাজয়ের জন্য বারবার অন্য দলকে দায়ী করা হচ্ছে। বিশেষ করে জামায়াতকে দায়ী করে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। তার মতে, যদি কোনো দলের নিজস্ব সাংগঠনিক শক্তি দুর্বল থাকে, তবে অন্যের ওপর নির্ভর করে রাজনীতি করা টেকসই নয়।
শাহরিয়ার কবির বলেন, যদি (এনসিপি) ভবিষ্যতে শক্তিশালী রাজনৈতিক দল হিসেবে টিকে থাকতে চায়, তবে দলে থাকা সুবিধাবাদী ও এজেন্সি-নির্ভর ব্যক্তিদের দ্রুত সরিয়ে দিতে হবে।
এদিকে তার এই বক্তব্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহল বলছে, দলের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও নেতৃত্বের প্রশ্নে এ ধরনের মন্তব্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।