নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মঙ্গলবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে বনানীর টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান। প্রথম ধাপে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ১৫টি ইউনিয়নের ওয়ার্ডে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে।
কর্মসূচির আওতায় মাসিক ২,৫০০ টাকা করে উপকারভোগী পরিবারগুলোকে ভাতা দেওয়া হবে। সুবিধাভোগীরা ভাতা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসে গ্রহণ করতে পারবেন।
পাইলট প্রকল্পের জন্য সারা দেশ থেকে ৬৭,৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। দারিদ্র্য সূচক অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭,৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক ধরা হয়। চূড়ান্তভাবে ৩৭,৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে ভাতা দেওয়া হবে।
প্রতিটি পরিবারের জন্য একটি ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। পরিবারের সদস্য সংখ্যা পাঁচের বেশি হলে অনুপাত অনুযায়ী একাধিক কার্ড প্রদান করা হবে। নির্বাচিত নারী পরিবারের প্রধান যদি অন্য কোনো সরকারি ভাতা, চাকরি বা পেনশন পান, তাহলে সেই সুবিধা বাতিল হবে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বিদ্যমান ভাতা বহাল থাকবে।
সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি, বেতন বা পেনশনপ্রাপ্ত পরিবারের সদস্য থাকলে সেই পরিবার কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে না। একইভাবে, পরিবারের নামে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, বিলাসবহুল সম্পদ বা পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয় থাকলেও সুবিধা দেওয়া হবে না।
ভাতা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ থেকে জিটুপি পদ্ধতিতে সরাসরি সুবিধাভোগী নারীর মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে পাঠানো হবে। জুন পর্যন্ত এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৮.৭ কোটি টাকা, যার মধ্যে ২৫.১৫ কোটি টাকা সরাসরি নগদ সহায়তা এবং ১২.৯২ কোটি টাকা কর্মসূচি বাস্তবায়নের অন্যান্য ব্যয়ে ব্যয় হবে।