বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেলকুচিতে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বেলকুচিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ বেলকুচিতে অবৈধভাবে তেল মজুত করায় দুই ব্যবসায়ীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা  বেলকুচিতে ‘ফুয়েল কার্ডে জ্বালানি তেল বিক্রি শুরু  বেলকুচিতে মূল্য তালিকা না থাকায় তেল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বেলকুচিতে যাদব চক্রবর্তী ফাউন্ডেশ এর আয়োজনে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প  বেলকুচিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে বিএনপির ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস পালন হাটিকুমরুলে টহল পুলিশের চাঁদাবাজির অভিযোগ সিরাজগঞ্জে চৌহালীতে বিএনপির সমর্থক জিওপি থেকে শতাধিক সমর্থকের এনসিপিতে যোগদান

প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার খিলক্ষেত থানা যুবদলের নেতা: শহিদুল ইসলাম খোকন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

খিলক্ষেত থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম খোকন বলেন দলকে ভালোবেসে বার বার মিথ্যা মামলা এবং কি প্রতিহিংসার শিকার হয়েছি।আমরা বাঙালির কিছু সমস্যার ভুগছি বাস্তব জীবন থেকে বুঝতে পারছি। কারো সফলতা কেউ দেখতে পারিনা। কেউ কেউ চায় না বাহিরের মানুষ এসে রাজনীতিতে এলাকা ভিত্তিক রাজনীতি করে সফলতা অর্জন করুন।তাইতো বারবার মিথ্যা হামলা মামলা প্রতিহিংসার শিকার হচ্ছি আমি। খোকন বলেন দল ভালোবাসি, যতই অপবাদ লাঞ্ছনা, গঞ্জনা, , আসুক না কেন দেশের স্বার্থে জনগণের স্বার্থে রাজপথে আছি।খিলক্ষেত থানার সাবেক যুগ্ন আহবায়ক খোকন বলেন রাজপথে থেকে নিজের কার্যক্রম পরিচিত করতে চাই।
দেশে উন্নয়নের আকাশছোঁয়া অগ্রযাত্রা মানুষ দেখছে। তবে আসল বিবেচ্য বিষয়– এত উন্নয়নের সঙ্গে সাধারণ মানুষ কতটা সম্পৃক্ত হতে পারছে। যত প্রকল্প হচ্ছে, অধিকাংশই প্রাক্কলিত ব্যয়ে ও সময়ে শেষ হচ্ছে না। বরং দু-তিন গুণ অর্থ ব্যয় হচ্ছে। রাজনীতি-সংশ্লিষ্ট মানুষ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত বিধায় দায়িত্বপ্রাপ্তরা চোখ বন্ধ করে আছেন। সবাই বুঝে গেছেন, রাজনীতি-সংশ্লিষ্ট থাকতে পারলে সাত খুন মাফ। প্রতিহিংসার রাজনীতিতে এই অবারিত সুযোগের মূল্য নেহাত কম নয়।

দেশে প্রতিহিংসার রাজনীতির সাম্প্রতিক একটা উদাহরণ– পরিচিত এক ভদ্রলোক সারাজীবন চাকরির পাশাপাশি পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন। চাকরি শেষে কিছু সামাজিক কাজে যুক্ত হন। নিজ সংগঠনসহ অনেক সংগঠনেরই নীতিনির্ধারক পর্যায়ে ক্রমান্বয়ে উঠে আসেন তিনি। এ ক্ষেত্রে অন্য কোথাও অসুবিধা না হলেও রাজনীতিযুক্ত নিজ পেশাজীবী সংগঠনেই সমস্যা প্রকট হলো। মেয়াদ শেষে এক সংগঠনের কমিটির নির্বাচন ঘোষণা হলে ওই ব্যক্তি তাতে অংশগ্রহণের জন্য সংগঠনের অফিসে গেলে সাদা পোশাকে পুলিশ তাঁকে ধরে থানায় নিয়ে যায়। সঙ্গী-সাথী থানায় গিয়ে অনেক কসরত করে জানতে পারে, অভিযোগ এসেছে– তিনি একটি ইসলামপন্থি দলের মাঝারি পর্যায়ের নেতা। এক মাস আগে বাংলামোটরে শত শত লোক নিয়ে গাড়ি ভাঙচুর করেছেন।

যে লোকটা কোনোদিন রাজনীতি করলেন না, তিনি হঠাৎ প্রতিহিংসার রাজনীতির বলি হিসেবে রীতিমতো এক ইসলামপন্থি দলের নেতা হয়ে গেলেন!এখানেই শেষ নয়। দেশের আইন অনুসারে আটককৃত ব্যক্তিকে নিজেকেই প্রমাণ করতে হবে– তিনি নির্দোষ। অথচ যারা নিজের দোষ ঢাকতে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ করল, তাদের কোনো দায় নেই। ফলে ভদ্রলোককে এক যুগ ধরে আদালতের বারান্দায় হাজিরা দিয়ে যেতে হচ্ছে। আরও কতদিন এ দুর্ভোগ চলমান থাকবে, তা একমাত্র ঈশ্বর জানেন। জবাবদিহি-দায়বদ্ধতাহীন সমাজ ব্যবস্থায় এমন শত শত প্রতিহিংসার ঘটনা ঘটছে….



লাইক করুন