মোঃ নাঈম উদ্দীন স্টাফ রিপোর্টার, চুয়াডাঙ্গা। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ব্যবসা পরিচালনা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রির দায়ে চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। সোমবার (১ ডিসেম্বর, ২০২৫) বেলা পৌনে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এই তদারকিমূলক অভিযান পরিচালিত হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টিম এই অভিযান পরিচালনা করে।
এ সময় তাদের সঙ্গে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের একটি দল।
অভিযান চলাকালে দামুড়হুদা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ঔষধ এবং জ্বালানী গ্যাসের দোকানগুলোতে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও পণ্যের মান তদারকি করা হয়।
তদারকি শেষে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় দুটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করে তা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়।
মেসার্স আলমগীর এন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড ক্রোকারিজ গার্ডেন আলমগীর হোসেন ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ধারা ৫২ নিয়ম বহিঃর্ভূত ব্যবসা পরিচালনা ৩০,০০০ টাকা
মেসার্স জননী ফার্মেসী মেজবাউদ্দীন (সুনির্দিষ্ট ধারা উল্লেখ নেই, তবে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা) মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রয় ৫,০০০ টাকা
মোট জরিমানা= ৩৫,০০০ টাকা
অভিযান শেষে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, “সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দামুড়হুদা বাজারে আমাদের এই তদারকিমূলক অভিযান চলে। অভিযানে মূলত নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য, ঔষধ এবং জ্বালানী গ্যাসের সঠিক মান ও মূল্য যাচাই করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “আলমগীর হোসেনের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আলমগীর এন্টারপ্রাইজ এন্ড ক্রোকারিজ গার্ডেনকে নিয়ম বহিঃর্ভূত ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫২ ধারায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মেজবাউদ্দীনের প্রতিষ্ঠান মেসার্স জননী ফার্মেসীকে মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ বিক্রির গুরুতর অপরাধে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।”
সহকারী পরিচালক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানসমূহকে দ্রুত ত্রুটি সংশোধন করে আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনার জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত করতে অধিদপ্তর বদ্ধপরিকর।