বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জ পৌরবাসীর আস্থার নাম সাইদুর রহমান বাচ্চু অজানা অভিমানে  মায়া আর মহব্বত  বরাবর বার্তা সম্পাদক/চীফ নিউজ এডিটর/এসাইনমেন্ট এডিটর দৈনিক পত্রিকা/টিভি চ্যানেল/ অনলাইন পোর্টাল ঢাকা।  সলঙ্গায় নদীর পাড়ের সরকারি গাছ উধাও, মুন্টু মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্মাণের ৪ দিনের মাথায় রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত গাড়াদহ নদী, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন সিরাজগঞ্জে ফেসবুক পেজে ‘সাংবাদিকতা’: বিভ্রান্তি ও পেশার মর্যাদা সংকটে উদ্বোধনের আগেই নষ্টের পথে উল্লাপাড়ার ট্রাক টার্মিনাল-মাদকাসক্তদের আড্ডায় পরিণত

বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই যেন শিক্ষক ফৌজিয়া হক বীথির নেশা

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০১৩ সালের কথা। একমাত্র ছেলে বাঁধন তখন ভীষণ অসুস্থ। পরীক্ষা-নিরীক্ষায়ধব্য পড়ে ব্রেন ক্যান্সার। দিশমাস্তুরি বাবে গেটের ভাত রোটাবে, বা ছেলের চিকিৎসা করবে। কোন কূল কিনারা দবা গেয়ে মামার আরাশ ভেঙ্গে গড়ার দশা তখন রেসবাটি ম্যাগাড়া গ্রামের দিননজুর মহসিন আলম সাপুর। চারিদিকে যথন অত্তাকার, তখনই আলোর দিশা হয়ে হাজির হলেন বিথী আগ্য বলছিলেন লালু। খরচ গেয়ে বীথি আপা নিজের বলার হার বন্ধক রেখে জোগার করে দেন চিকিৎসার টাকা। যদিও শেষ পর্যন্ত বাঁধনকে আর বাঁচানো যায়নি। ছেলে হারানোর শোকে পাথর হয়ে এতদিন ওর মা হট অ্যাটাক করালো। মুঠোফোনে সংবাদ গেছে মাররাতেই ছুটে গেলেন বীনি। খুনট সরকারি হাসপাতালে থাথমিক চিকিৎসা নিয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সিসিইও এ ভর্তি করালেন। বিদীর সহযোগিতায় স্ত্রী বাসন্তিকে সুস্থ করে তোলেন দিদনগঞ্জুর মহসিন আলম লালু।

কারো কাছে বিবী আপা।। কেউ ডাকে রির্থী ম্যাডাম। বিথীর পুরো নাম ফৌজিয়া হক বীথি (পেশায় শিক্ষক হলেও বানরসেবা যে তার বুত, পথে-ঘাটে তার প্রমাণ মেলে।

কথা হচ্ছিলো দুৰটের মর্জিনা বেগমের সাথে। বললেন, ‘আমার স্বামী অসুস্থ। পরিন মানুষ। একদিন কাজ করলে আরেকদিন রসে এহত। থাকার মতো বাড়িঘরও তগৰ নেই। বিথী আগার সাথে যোগাযোগ করলাম, ঋবের ব্যবস্থা হয়ে গেলো। তাই বর শুধু মন্ত্রিনায় ছেলে-মেয়ের খাতা-কলম, ফরম ফিলাপেসহ পড়াশোনার সব খরচ দেন বিথী।

যেভাবে সামনে এনেন বিথী। করোনার সমকাল। অবশ্য এক অনুজীবের কাছে অসহায় তথন পুরো পৃথিবী। রক্তের সম্পর্কের মানুষগুলো অপরিচিত হতে থাকে বীরে বীইয়ে। পাশে দাঁড়ানোতো দুরের কথা কেউ কারো খোঁজ-খবর পর্যন্ত নেয় না। নামৰ সময় নিদানকালের বন্ধু হয়ে অসহায় মানুষের পাশে করলা হয়ে দাঁড়ালেৰ স্থা শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক রীতি। করোনা মহ্যারির শুরু থেকে পুরো খুনটে স্বাস্থ্য সচেতনতার বার্তা নিয়ে সাধ্যমত পেইজ বাম বাড়ি বাড়ি। হয়ত হাতে খুলে দেন নিজের তৈরি করা কাগজের মাস্ক। সবচাটন চলাকালে সাধ্যমত কর্মহীন দুস্থ মানুষের স্বরে গরে পৌঁছে দেন গায়া করা খামার। ২০২০ সালে কয়োময় দু সময়ে সরার সামনে চালে আসে সাধারণ মানুষের পাশে থাকা নীদির সমাজসেবার পর।

বিদীর পরিচয়। বগুড়ার ধুনট উপজেলার বেলকুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যয়ারের সহকারী শিক্ষক ফৌজিয়া হক বাঁতি। তার জন্য ১৯৭৮ সালে উগ্যারুণার চান্দারপাড়া গ্রামে। একরাতের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশে যাঁহণ করেছিলের বারা মোজাম্মেল হক। বুক্ত ছিলেন শিক্ষকতা পেশায় যা সালেহা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই বোদের মধ্যে বীনি ১মা সপ্তম। ধুনট সরকারি প্রার্থমিক বিদ্যরায় থেকে প্রাথমিকের পাঠ চুকিয়ে ধুনট নালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এরপর সুনউ দিল্লি কলেজ থেকে ১৯৯৬ সালে এত মাধ্যমিক শেষ করেন। তারপর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০১ সালে সমাজ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর করেন। এর আগে ২০০০ সতুল সালে যোগ দেন শিক্ষকতা শেশায়। ভালোবাসার মানুষের বাঞ্ছনাও দমাতে পারেনি বাঁদিকে দে প্রিয়া হত বীনি পছন্দ করে বিয়ে করেছিলেন। সেই স্বামীই নৌতুকের জন্য নির্যাতন শুরু’ কারেন। এএইচএসসি পরীক্ষার আগে তার মাথার ইট দিয়ে আখ্যত করেন। এই সুরবস্থার মধ্যে পরীক্ষা দিয়েও তিনি প্রবণ বিতাণে পাস করেছিলেন। বিশ্ববিদ্যলয়ে অধ্যয়নকালীনও তার স্বামী তাকে গাছের চল দিয়ে মারধর করেন। চিকিৎসার পর সুস্থ হলেও তিনি বাম কানে অন্যতে পাদ না এবং রায় চোখে কম দেখেন। একপর্যায়ে তার স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। এরপরও নির্যাতন বহুমনি। পরীক্ষার স সময় তাকে অপহরা করার চেষ্টা করা হয়। পড়াশোনা শেষ করে বহুনভাবে জীবন গড়ার শপথ নেন। এক আইনজীবী বাঙ্গাকুল করিরের সঙ্গে নতুন কারে খব বাঁধেন। স্বামীর

সংঙ্গে তিনি সমাজসেবামূলক কাজ শুরু করেন। মানুষের পাশে বিন্ধী: মাহে যাকে স্বারীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা

করেন ফৌজিয়া হক রীমি। বিশেষ করে নারী উন্নয়ন ও বাল্য বিবাহ এঁধিবোধ নিয়ে গ্রামে-গ্রামে আলোচনা করেন তিনি। বেলকুচি গ্রামের আয়েশা খাতুন জানান, তাদের সামাজিক সচেতনা দিয়ে পরামর্শ দেন। এভাড়া মেয়েদের গড়াশোনা নিয়ে উদ্বুদ্ধ করা আকেন। আয়েশা বলেন, অর্থের অভাবে অল্পার মাতনীর লেখাগভা চালানো সম্ভব হচ্ছিল না। বীথি আপার সহযোগিতায় এখনো আমার নাতনি গড়ালেখা করছে। সমাজসেবাতেও যত বাঁধা। মানুষের সাথে ঘানুষের গাংশে থাকতে নিয়ে

প্রতিবন্ধকতা এসেছে কি-না, এলে কীভারে সেটাকে পাশ কাটিয়েছেন জানতে চাইলে ফৌজিয়া বীনি বাগন, ‘অনেক ধরণের প্রতিবন্ধকতার শিকার হতে হয়েছে। যেমন আমায় উমেন ও বছরের একটি শিশু ধর্ষণের শিকার হয় ৬৫ বছরের একজন বৃদ্ধের হারা। যখন আমি মেয়েটিকে উদ্ধার। করে নিয়ে আসি, তর্পন আমাকে রাজনৈতিকভাবে শক্তি চেয়েল করা হয়, যেন অনি মেয়েটিকে দিয়ে হালগাতালে পৌঁছাতে না পারি এবং আমি যাতে থানায় বিবে যেতে না পারি। আমাকে অনেক ভরতীতি দেখানো হয়, এরণরও কিন্তু আমি মেয়েটাকে নিয়ে তাৰায় যাই, হাসপাতালে চিকিৎসা ক্যাই এবং অভিযুক্তকে আইনের আমতায় নিয়ে আসায় ব্যবস্থা করি। এছাড়া আমার গ্রামের আশপাশে আসক কারবারিদের নিরাপদ আন্তনা। আমি অনেক মাদক কারবানিকে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধরিয়ে নামাতেও নিয়েছি। এ কারণে আমি অনেক মাদক কারবারিও রোষানলে গড়েছি। তারা আমাকে করণরিতি সেদিয়েছে।

বিলিয়ে দেন নিজের বেতনের টাকা। মানুষকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করছেন, এতে টাকায় যোগান আসে কোথেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার বেতন থেকে মানুষের জন্য কাজ করার চেষ্টা করি। আমার মানুষের জন্য করার সাথ আছে। যখন সুত্ব অসহায় মানুষের জন্য কিছু করতে গিয়ে সাথে বা বুলায়, তখন খুব খারাপ লাগে। আমি বদি এসব কাজে সধকারি এবং বিশুবাদ মাধুষের সহযোগিতা গই তবে কামার কারওলোকে আরও এগিয়ে বিষে যেতে পারি।

বিধীর আদর্শ তার বাবা। ফৌজিয়া হক বিনী বলেন, ‘নাথ্য বলতেন নিজে বাঁচায় নাম সুমন দায়, সবাইকে দিয়ে বাঁচাই গরীব। বাম কথা সরসময় মানে ধারণ করে চলি। কামার অনুপ্রেরণা যুতই স্কুলের চাকরি পাওয়ার পর থেকে সমাজের অবহেলিত, নির্যাতিত, অসুস্থ মানুষকে নিয়ে কাজ তনি। একজন বিপদগ্রস্ত ব্যক্তিকে সহযোগিতার পর যখন তিনি কলো থাকেম, তখন সেই অবস্থা দেখে আমি মামসিকভাবে শান্তি পাই, পুতি পাই। এ সব কটূরণ মার্চেই আমি বেঁচে থাকার আনন্দ খুর। আরও পরিকল্পনা পরিষাৎ পরিকল্পনা দিয়ে ফৌজিয়া রীতি বলেন, মেয়েদের স্বম্বিস্ততাই মেয়েদের স্বপ্ন পূরণের হাতিয়ার। কোন মেয়েই অযোগ্য বগ, মেয়েরই গারে সমান্ত পরিবর্তন করে দিতে। আমি অসহায় নির্যাতিত মেয়েদের ঘুরে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দিয়ে ওদের স্বনির্ভর করার জন্য একটা প্রতিষ্ঠান পায়ার স্বপ্ন দেখি। স্কুল শিক্ষিকা ফৌজিয়া হক বীনি দিশতিত মেয়েদের দিয়ে সংগঠন পাড়তে চান। নারীদের স্বদিচর, এবং প্রতিবাসী করে গড়তে চান।

এসব সামাজিক এবং মাধরিক কর্মকান্ডের জন্য বেশ কিছু সাদাদনায় ভূষিত হয়েছেন। ইংরেজি দৈনিক চেইলি স্টার-আইপিভিসি তাকে আমিসহ উইমেন ম্যাশৰ বিল্ডার্স অ্যাওয়াড-২০২১’প্রদান করে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে স্বাধুনী কীর্তিমতি’ সম্মাননা, চির শিক্ষক সম্মামন্য ২০২২, রাজশাহী বিভাগীয় শ্রেষ্ঠ জয়িতা পুরস্কার ২০২২, ন্যাশনাল ফোলগামেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) সম্মাননা ২০২৩, শ্রেষ্ঠ শিক্ষিতার সম্মাননা পেয়েছেন তিনি।

সরোদ পেলেই ছুটে যান যান বিপদস্তুপ্ত মানুষের বাড়িতে। পরামর্শ দেন। আর্থিক সহযোগিতার পাশাপাশি সাহস বুপিয়ে পাশে দাঁচান অসহায়। মানুষের। সমাজে অসহায়ের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেয়া এবস্তন সত্যিকারের মানবতার ফেরিওয়ালা তিনি। আগপ্রকারের চেয়ে মানুষের সেবাতেই আত্মবৃতি স্মার্জ মেষ স্কুল শিক্ষক ফৌজিয়া হক বীথি।



লাইক করুন