মোস্তফা কামাল শ্রাবন,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ রোদের তীব্রতা নেই, আলোর প্রজ্বলতা নিতান্তই কমতি নেই, পশ্চিমাকাশে কিছুটা বৃষ্টির মেঘমালা। তবু নেই বৃষ্টি। ঘামে শরীর থেকে উৎকট গন্ধ বের হচ্ছে। এরই মাঝে লোড শেডিং। বিষিয়ে তুলেছে আমাকে। ক্ষনিক পরেই আবার এলো সঞ্চলন লাইনে বিদ্যুৎ। স্বস্থির নিঃশ্বাস বইতে শুরু হলো। মাঝ রাতে হলে তো বিদ্যুতের শকট লাগার মত হয়ে ঘুম ভেঙে যেত। বাতায়নের গ্রীলে বেঁধে রেখেছি ছোট্ট দ্রুত গতি সম্পন্ন স্পীড ফ্যান যেন বাহিরের শীতল বাতাশের পরশ নিতে পারি। চার দেয়ালের মাঝে টপ ফ্লোরে কি যে অস্বস্থি তা ভুক্তভোগীরাই জানে। নাহ্, বাহিরের বাতাশেও নেই স্বস্থি। আগুনের কুন্ডলীর পরশ নিয়েই সে গৃহে প্রবেশ করছে যেন। আবহাওয়া অফিস থেকে নিদৃষ্টভাবে কখন, কোন এলাকায় ঝড়ো হাওয়া কিংবা বৃষ্টি নামবে তা স্পষ্ট নয়। গড়গড়া একটা ছকে বাধা তাদের সংকেত। মানে হলো ‘যদি লাইগা যায়’। আবহাওয়াবিদদের উপর ভরসা খুব কম। যদি কখনও বৃষ্টি নামে তখন তাদের কেরামতি বাড়ে- বলছিলাম না ঝড়- বৃষ্টি হবে। যাই হোক, ধরনীতে নামুক অঝোর ধারায় বৃষ্টি। স্বস্থি নামুক প্রাণীকুলের মাঝে। এমনটাই হোক আমাদের প্রার্থনা।