বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জ পৌরবাসীর আস্থার নাম সাইদুর রহমান বাচ্চু অজানা অভিমানে  মায়া আর মহব্বত  বরাবর বার্তা সম্পাদক/চীফ নিউজ এডিটর/এসাইনমেন্ট এডিটর দৈনিক পত্রিকা/টিভি চ্যানেল/ অনলাইন পোর্টাল ঢাকা।  সলঙ্গায় নদীর পাড়ের সরকারি গাছ উধাও, মুন্টু মাস্টারের বিরুদ্ধে অভিযোগ নির্মাণের ৪ দিনের মাথায় রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ সাবেক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার দখল ও দূষণে বিপর্যস্ত গাড়াদহ নদী, চরম ভোগান্তিতে জনজীবন সিরাজগঞ্জে ফেসবুক পেজে ‘সাংবাদিকতা’: বিভ্রান্তি ও পেশার মর্যাদা সংকটে উদ্বোধনের আগেই নষ্টের পথে উল্লাপাড়ার ট্রাক টার্মিনাল-মাদকাসক্তদের আড্ডায় পরিণত

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তার নামে ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড ঘিরে বিতর্ক

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নামে ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড থাকার তথ্য ঘিরে ব্যাংকপাড়া ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বিষয়টি ভুয়া বলে উল্লেখ করেছেন।

তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক শ্যামল কুমার মজুমদারের নামে একটি ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড ছড়িয়ে পড়েছে। কার্ডে বাবার নাম তেজেন্দ্র মজুমদার এবং ঠিকানা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার ব্যারাকপুরে উল্লেখ করা হয়েছে। কার্ডটির এপিক নম্বর XYV১০৮৬৬৫১।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগে কর্মরত শ্যামল কুমার মজুমদারের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী বাবার নাম তেজেন্দ্র কুমার মজুমদার এবং স্থায়ী ঠিকানা চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার মগধরা এলাকায়। ভোটার কার্ড ও জাতীয় পরিচয়পত্রে একই ব্যক্তির ছবি রয়েছে, তবে ভারতীয় কার্ডে ‘কুমার’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়নি।

বাংলাদেশ সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট, ১৯৫১-এর ধারা ১৪ অনুযায়ী কোনো বাংলাদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় অন্য রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে তিনি তার বাংলাদেশি নাগরিকত্ব হারাতে পারেন, যদি না সরকারিভাবে দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমতি থাকে। সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪০ অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ করে তা গোপন করলে তা চরম অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে এবং বিভাগীয় বা আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।

সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইশরাত জাহান এ তথ্য এনপিবিকে নিশ্চিত করেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেইন খান জানান বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নজরে আসেনি এবং অভিযোগটি খতিয়ে দেখা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা শ্যামল কুমার মজুমদার বলেছেন এ ভোটার কার্ড ভুয়া এবং বিষয়টি নিয়ে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে কার্ডের সত্যতা যাচাই করা হলেও নিরাপত্তাজনিত সীমাবদ্ধতার কারণে ব্যক্তিগত তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।



লাইক করুন