রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফ্যামিলি কার্ডের নামে চেকবই চুরির অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার বিরুদ্ধে উত্তরাঞ্চলে নতুন সড়ক স্থাপনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু, ঈদযাত্রা স্বস্তিদায়ক হওয়ার সম্ভাবনা শোক সংবাদ ইন্না ইলাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন ” গার্ড অব অনারের মাধ্যমে রাষ্টীয় মর্যাদায় প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত।  সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের মুক্তি আটক নিপীড়িত সাংবাদিকদের পাশে সব সময় থাকবে বাংলাদেশ সাংবাদিক উন্নয়ন সংস্থা পটুয়াখালীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে পরিচ্ছন্নতা অভিযান বেলকুচিতে ১০ কেজি চাল বরাদ্দ থাকলেও পাচ্ছেন সবোর্চ্চ ৮ কেজি  ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রতিবন্ধীতা প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান: ডেঙ্গু প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের ডাক চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে চলছে নানা আলোচনায় আলহাজ্ব মশিউর রহমানের নাম

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার সিনিয়র নেতার নাম আলোচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি পদ নিয়ে রাজনৈতিক ও জনমত উভয় ক্ষেত্রেই আলোচনার মাত্রা বেড়েছে। বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদে রয়েছেন, তবে তার পদত্যাগ বা অপসারণের সম্ভাবনা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। আইন ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে হলে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন প্রয়োজন। ২০০১ সালের পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকারের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে ইমপিচমেন্ট করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু তিনি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছিলেন।

বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি পদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে দল রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করছে। নতুন রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করলে পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় পর্যন্ত তাঁর কার্যকালও প্রভাব ফেলবে।

বর্তমানে রাষ্ট্রপতি পদে আলোচনায় থাকা বিএনপির সিনিয়র নেতারা হলেন ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ত্রয়োদশ সংসদের উদ্বোধনী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেছেন। ড. আবদুল মঈন খান স্থায়ী কমিটির সদস্য, এবং গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্থায়ী কমিটির নেতা হলেও বর্তমানে কোনো দায়িত্ব পাননি। মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় আনা হচ্ছে।

শারীরিক অবস্থার কারণে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসারফকে রাষ্ট্রপতি পদে বসানো নাও হতে পারে, তবে তাকে সম্মানজনক কোনো পদে রাখার পরিকল্পনা আছে। ড. আবদুল মঈন খান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে মন্ত্রী বা উপদেষ্টা পদে আনার বিষয়েও আলোচনা চলছে।

রাষ্ট্রপতির বর্তমান মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। ২০২৪ সালের অক্টোবরেও পদত্যাগের দাবি উঠেছিল, কিন্তু পদত্যাগ বা অপসারণ ঘটেনি। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর পদত্যাগ করতে ইচ্ছুক বলে জানিয়েছেন।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত মন্ত্রিসভায় ২৫ জন মন্ত্রী এবং ২৩ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার পদে মেজর (অব.) হাফিজউদ্দিন আহমদ এবং ডেপুটি স্পিকার পদে ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে নির্বাচিত করা হয়েছে।



লাইক করুন