সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তিথি নক্ষত্র দেখে এই পূর্ণিমাতে তারা তাদের ধর্ম চর্চা করে থাকে! কোথাও কোথাও হয় রাস মেলা! আমাদের দেশের কুয়াকাটা, রামু ইত্যাদি অঞ্চলে এই মেলা দেখতে পাওয়া যায়!
তবে আমরা হাটছিলাম এই নভেম্বরের হালকা শীতের অনুভূতি নিয়ে সন্ধ্যার পর নিজ আনন্দে! বসিলা গ্রীন সিটি থেকে শুরু করে ঢাকা উদ্যান পর্যন্ত তুরাগ তীর ধরে! কিছুটা পথ হাঁটার পর হঠাৎ মোস্তাফিজুর রহমান লেন্টু পুত্র সমুদ্র বলে উঠলো,”আঙ্কেল একটু দাঁড়ান”। ঘুরে দাঁড়ালাম! ওর মোবাইল ক্যামেরা ক্লিক করে উঠলো! ধরে ফেলল আকাশের ওই কার্তিক পূর্ণিমার পূর্ণ চাঁদ সাথে আমার অবয়ব খানিকটা দেখা গেল! সমুদ্র নরওয়ে থেকে সদ্য দেশে ফিরেছে! দেশে থাকবে বাকি কটা দিন এই মাসের!
আমার সামনে প্রবাহিত তূরাগ! পিছনে ঢাকা শহরের এক্সটেনশন! বসিলা গ্রীন সিটি বা আরো অনেক হাউজিং কোম্পানি একের পর এক বিল্ডিং বানিয়ে চলেছে! আর ঢাকায় আগতরা নিজের একটি স্থায়ী ঠিকানা তৈরীর অভিপ্রায়ে তাদের জীবনের সবথেকে বড় ইনভেস্ট এখানে করে চলেছে! আজ আমরা একসাথে ছিলাম কামাল, রহমত, সাঈদ, জাহাঙ্গীর, সমুদ্রের মা মিনু রহমান! আরো থাকার কথা ছিল লিটন জাহিদ, শাহাবুদ্দিন, সামাদ, ইমতিয়াজ, নাজনিন, মুন্নি সহ বেশ কয়েকজনের!
কিন্তু ছুটির দিন এক একজন এক এক কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ার জন্য আসতে পারিনি!
সন্ধ্যা আয়োজনটি মন্দ ছিল না! এ কে এম সাঈদ তার এসএসসি’৮২ ব্যাচের বন্ধু মিনু রহমান পুত্র সমুদ্রের সৌজন্যে তার ” মাতৃস্নেহ” প্রকল্প অঞ্চলে হাঁসের মাংস ছিটে রুটি সাথে কালো ভুনা আর পরোটার ব্যবস্থা রেখেছিল!
সাঈদ আমাদের এলাকার ছোট ভাই! এই এলাকায় অর্থাৎ বসিলা গ্রীন সিটি চত্বরে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা শুরু করেছে এবং বিশ্বস্ততার সাথে এই ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে চলেছে!
তার ব্যবসার সফলতা কামনা করছি!
কলমেঃ বজলুর রহমান
থানা পাড়া, দর্শনা।