সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার  তাড়াশে নববুধসহ দু নারীর মৃত্যু অযত্ন-অবহেলায় ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে বেলকুচি টেলিফোন অফিস, পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবনের অভিযোগ তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির অর্থায়নে গ্রামবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তার কাজ বন্ধ চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার 

পলাশবাড়ীতে বিক্রয় নিষিদ্ধ স্যাম্পল ঔষধ জব্দ

পলাশবাড়ী প্রতিনিধি:

গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে হারুন সুপার মার্কেটে মেসার্স ফারিহা ফার্মেসিতে প্রায় ২০ হাজার টাকার মূল্যে স্যাম্পল’ ঔষধ জব্দ করা হয়ছে।

২০ নভেম্বর সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঔষধ তত্তাবধায়ক প্রশাসন জেলার মেহেদী আফজাল পল্লব এ অভিজান পরিচালনা করেন।

তিনি বলেন, ঔষধ গুলো উৎপাদনকারী কোম্পানির পক্ষ থেকে বাজারে ছাড়ার আগে ট্রায়ালের উদ্দেশ্যে চিকিৎসকদের দেওয়া হয়।

স্যাম্পল ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারি রাজস্ব দেয়ার বিধান রয়েছে। বিনামূল্যে দেওয়া এসব ওষুধ ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ। অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের ঔষধ বিক্রয় করছেন। দীর্ঘ দিন ধরেই পলাশবাড়ীর বিভিন্ন ফার্মেসিতে স্যাম্পল ঔষধ কেনাবেচা চলে আসছে।

এতে একদিকে যেমন সরকার রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে ট্রায়ালে থাকা এসব ঔষধ সেবনে প্রতারিত হচ্ছেন ক্রেতারা। ঔষধের মোড়কের গায়ে লেখা ‘ফিজিশিয়ান স্যাম্পল,বিক্রি নিষিদ্ধ’। তবে দোকানিরা এগুলো বিক্রয়ের জন্য কৌশল অবলম্বন করছেন। ঔষধের মোড়ক পাল্টে বিক্রয়যোগ্য ঔষধের মোড়কে রেখে এসব ঔষধ বিক্রি করা হচ্ছে।

ফার্মেসি মালিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পলাশবাড়ীতে স্যাম্পল ঔষধ বিক্রির একটি চক্র রয়েছে। সরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকরা অতিরিক্ত ফিজিশিয়ান স্যাম্পল পেয়ে থাকেন। কোম্পানির প্রতিনিধিদের সঙ্গে চুক্তি থেকে চিকিৎসকরা প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ স্যাম্পল পান। চিকিৎসকরা টাকার বিনিময়ে এসব ঔষধ ফার্মেসিতে বিক্রি করে আসছেন। সরাসরি চিকিৎসকদের মাধ্যমে বা অসাধু চক্রের মাধ্যমে ওষুধগুলো খোলা বাজারে আসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঔষধ ব্যবসায়ী জানান,চিকিৎসকরা ফোন করে তাদের বাসায় অথবা চেম্বারে ডেকে নেন। এরপর তাদের এসব ঔষধ দেওয়া হয়। অসাধু চক্রের মাধ্যমে চিকিৎসকের কাছ থেকে ঔষধ এনে দেন।

এদিকে,স্যাম্পল ঔষধ বিক্রয় বন্ধ করতে ফার্মেসি গুলোতে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে হারুন সুুপার মার্কেটের মেসার্স ফারিহা ফার্মেসিতে স্যাম্পল ঔষধ জব্দ করা হয়েছে।

এসময় ঐ বিক্রেতার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হবে। অভিযান পরিচালনা দেখে বাকি ফার্মেসী গুলো বন্ধ করে দ্রুত শটকে পরেন। মেহেদী আফজাল পল্লব বলেন, ফিজিশিয়ান স্যাম্পল ঔষধ ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ।
ঔষধ কোম্পানি গুলো চিকিৎসকদের বিনামূল্যে স্যাম্পল দিয়ে থাকেন।

 

আশরাফুল আলম শাহিন/আলোচিত কণ্ঠ



লাইক করুন