শনিবার, ০৮ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার  তাড়াশে নববুধসহ দু নারীর মৃত্যু অযত্ন-অবহেলায় ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে বেলকুচি টেলিফোন অফিস, পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবনের অভিযোগ তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির অর্থায়নে গ্রামবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তার কাজ বন্ধ চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার 

এইবার মুখ খুললেন অমর নায়ক সালমান শাহর আপন ছোট ভাই শাহরন চৌধুরী

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার

১৯৯৬ সালের ৬ ই সেপ্টেম্বর সালমান শাহ মারা যাবার কয়েকটি কারনের মধ্যে ভিলেন ডন ও একটি কারন।
তার প্রমান দিলেন সালমান শাহর একমাত্র ছোট ভাই শাহরন চৌধুরী।তিনি বলেছেন বন্ধু যতোটা আপন হয়,আবার ততোটা শক্রুও হয়, তার জলজ্যান্ত প্রমান আমার বড় ভাই সালমান শাহর সবচেয় কাছের বন্ধু ভিলেন ডন। সালমান শাহ যখন চট্রগ্রামে সামিরাকে বাপের বাড়ী থেকে নিয়ে আসতে যাচ্ছেন, তখন সালমানের ছোট ভাই শাহরন চৌধুরীও সঙ্গে ছিলেন, আর এই যাওয়ার পথে দুই ভাইয়ের মধ্যে অনেক কথা হয়, সালমান তার ছোট ভাইকে বলেন আমি যেখানেই স্যুটিং এ যাই আউটডোরে –আমি নায়িকা শাবনুরের সঙ্গে কি কথা বলি কি আচারন কি কি খাই কখন ঘুমাই — সব খবর সামিরা পেয়ে যায়।
এটা কিভাবে সম্ভব কারন স্যুটিং শেষ করার পর আমার সঙ্গে তো ডন ছাড়া কেউ থাকে না। আর ইউনিটের সবাই যার যার মতো রুমে থাকে। আমার রুমে শুধুমাত্র ডন যাতায়াত করে আর পরিচালক এবং সহকারী পরিচালকেরা এসে আগামীকাল সকাল থেকে কি কি স্যুটিং করবো সেই দৃশ্য গুলো বুঝিয়ে এবং কি ড্রেস পরবো সে গুলো আলোচনা করে চলে যায়।
তাহলে এতো সব গোপন খবর সামিরা কি ভাবে জানে, তখন দুই ভাইয়ে আলোচনা করে বের করে এই খবর ডন ছাড়া কেউ দিতে পারবে না, কারন আমার বাসায় তো অন্য কেউ যায় না, শুধু ডন আর আমার সহকারী আবুল ছাড়া এবং আর একজন সে হচ্ছে সালমানের পি এস,যিনি সালমানের সিডিউল ম্যনটেইন করতো — মনে হয় তার নাম মনির।
কিন্তু আবুল বা আমার পি এস মনির – স্যুটিং এর যে কোন কথা সামিরাকে বলার সাহস পাবে না, কারন তাদের চাকরী হারানোর ভয় আছে, শেষে বের করেন এই কাজ ডন করতো।
তারপর সামিরাকে তার বাপের বাড়ী চট্টগ্রাম থেকে বুঝিয়ে শুনিয়ে স্যরি বলে ঢাকায় নিয়ে আসেন, তারপর থেকেই সালমান শাহ ডনের সঙ্গে দুরত্ব বজায় রাখতো এবং বন্ধুত্বে ভাটা পড়ে যায়, এবং লক্ষ্য করা গেছে কোন পরিচালককে ডনকে ছবিতে নেওয়ার কথা সালমান আর বলতো না।
ব্যাস খেলা শুরু হয়ে যায়
তখন থেকে সালমান ডনকে এড়িয়ে চলার চেস্টা করতেন, কারন স্যুটিং এ নায়ক নায়িকাদের মধ্যে একটু আকটু বন্ধুত্ব হতেই পারে, এই খবর যদি নায়কের স্ত্রীকে যায় তাহলে তো সংসারে আগুন লাগবেই। সেই কাজটিই ভিলেন ডন করেছিলাম – সামিরার ভালোবাসা পাবার জন্য। হয় তো বা সালমানকে ব্লাকমেইল করার জন্য। এই সব কথা সহ বহু কথা সালমান তার ছোট ভাইকে শেয়ার করেছেন।
যে কারনে সালমানের ছোট ভাই শাহরন চৌধুরী লাইভে এসে এই সব কথা বলেছেন। এবং বেশীর ভাগ সময় ডন সালমানের বাসায় থাকতো।
এখন দেখার বিষয় তদন্ত সাপেক্ষে মহামান্য বিচারক মহোদয় কি বলেন – সারা বাংলাদেশের এবং প্রবাসী ভাই বোনেরা মানে সালমান ভক্তরা চাতক পাখির মতো অধির আগ্রহ নিয়ে চেয়ে আছেন।।



লাইক করুন