রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৩:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌহালীতে কোদালিয়া খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ও হেলে পড়া বিদ্যুৎ খুঁটি: আতঙ্কে এলাকাবাসী তাড়াশে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল শেখ গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর আমরণ অনশন, উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্য সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বন্যা প্রস্তুতি ও জেলা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় সালাম নামে এক জনের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সিরাজগঞ্জে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর কামারপাড়া বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি লাবলু, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত বেলকুচিতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ গুল্টা বাজার শহীদ এম মুনসুর আলী ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষকে দায়িত্ব পালনে বাধা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে

ইসলামি শাসনে অমুসলিম প্রতিনিধি ইতিহাস ও আধুনিক প্রাসঙ্গিকতা

ইনতেখাব সাইমুন, স্টাফ রিপোর্টারঃ ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন ব্যবস্থা যা ন্যায়, মানবিকতা ও সহনশীলতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। ইসলামের প্রাথমিক যুগ থেকেই দেখা যায় মুসলিম শাসকদের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় অমুসলিমদের অংশগ্রহণ। এটি আধুনিক বহুত্ববাদী ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার এক অনন্য দৃষ্টান্ত।

রাসূল (সা.) দক্ষতা ও সততার মূল্যায়ন করে অমুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। উদাহরণস্বরূপ, হিজরতের সময় কুরাইশ গোত্রের দক্ষ পথপ্রদর্শক আব্দুল্লাহ ইবনে উরাইকিতকে রাহবারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, যেখানে ধর্মীয় পার্থক্য ছাড়াই দক্ষতাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিভিন্ন গোত্রের প্রতিনিধিরা মদিনায় এসে রাষ্ট্রীয় আলোচনায় অংশ নিতেন, যা ইসলামের উদার নীতির প্রমাণ।

খলিফা উমর (রা.) এর শাসনামলে পারস্য ও সিরীয় অমুসলিমরা প্রশাসনিক ও সামরিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পারস্যের সামরিক উপদেষ্টা হরমুজান মুসলিম বাহিনীর কৌশলগত সহায়তা প্রদান করেন। মাজুসি হিসাবরক্ষক জিন্দার রাজস্ব ব্যবস্থায় দক্ষতা প্রমাণ করেন। পারস্য প্রশাসনিক সহকারী নাহবত প্রশাসন চালনায় অবদান রাখেন। সিরীয় খ্রিষ্টানরা চিকিৎসা ও আর্থিক বিভাগে কাজ করতেন। উমাইয়া ও আব্বাসীয় যুগে এই প্রবণতা আরও বিস্তৃত হয়, যেখানে খ্রিষ্টান ও ইহুদি ব্যক্তিরাও উচ্চ পদে নিয়োজিত ছিলেন।

কুরআন-হাদিস আমাদের শেখায়, ইসলামি রাষ্ট্রের প্রধান ভিত্তি হবে ধর্মীয় নীতি, তবে দক্ষতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে অমুসলিমদের রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। এটি প্রমাণ করে যে ইসলামী শাসনব্যবস্থা মানবিক ও ন্যায়সঙ্গত।



লাইক করুন