রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
এনায়েতপুরে থানা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতির স্মরণসভা চৌহালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার অভিযোগ, অপসারণের দাবি চৌহালীতে কোদালিয়া খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ও হেলে পড়া বিদ্যুৎ খুঁটি: আতঙ্কে এলাকাবাসী তাড়াশে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল শেখ গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর আমরণ অনশন, উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্য সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বন্যা প্রস্তুতি ও জেলা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় সালাম নামে এক জনের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সিরাজগঞ্জে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর কামারপাড়া বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি লাবলু, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত

চলে গেলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী বি সরোজা দেবী

বিনোদন প্রতিবেদকঃ ভারতের বরেণ্য চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বি সরোজা দেবী আর নেই। সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে বেঙ্গালুরুর নিজ বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই কিংবদন্তি শিল্পী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

অভিনেত্রী খুশবু সুন্দর সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে বি সরোজা দেবীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। দেশজুড়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এই সংবাদে। খবরটি প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

মাত্র ১৭ বছর বয়সে অভিনয় জীবন শুরু করেন বি সরোজা দেবী। ১৯৫৫ সালে কন্নড় ভাষার ছবি ‘মহাকবি কালিদাস’ দিয়ে তার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটে। এরপর ১৯৫৮ সালে এম জি রামচন্দ্রনের বিপরীতে ‘নাডোডি মান্নান’ ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি খ্যাতি অর্জন করেন তিনি।

চারটি ভাষায়— তামিল, তেলেগু, কন্নড় ও হিন্দিতে— ২০০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। ১৯৫৫ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত টানা ১৬১টি ছবিতে প্রধান নারী চরিত্রে অভিনয় করে গড়েছেন অনন্য এক রেকর্ড। শিবাজি গণেশন, এন টি রামা রাও, রাজকুমার, জেমিনি গণেশন ও এম জি রামচন্দ্রনের মতো প্রথম সারির অভিনেতাদের সঙ্গে বহু জনপ্রিয় সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। এম জি রামচন্দ্রনের সঙ্গে তার ২৬টি হিট ছবি রয়েছে।

বলিউডেও ছিল তার উজ্জ্বল উপস্থিতি। ‘পয়গাম’, ‘সসুরাল’ ও ‘পেয়ার কিয়া তো ডরনা কিয়া’ ছবিতে অভিনয় করে হিন্দি সিনেমাপ্রেমীদের হৃদয় জয় করেন।

অভিনয়ে অসামান্য অবদানের জন্য বি সরোজা দেবী পেয়েছেন ভারত সরকারের সম্মানসূচক পুরস্কার পদ্মশ্রী (১৯৬৯) ও পদ্মভূষণ (১৯৯২)। এছাড়া ‘কালাই মামানি’, সম্মানসূচক ডক্টরেটসহ জাতীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে পেয়েছেন অসংখ্য স্বীকৃতি। তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি বোর্ডের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার মৃত্যুতে ভারতীয় চলচ্চিত্র অঙ্গনের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান ঘটল। অনুরাগী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মনে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন তার অবিস্মরণীয় কাজের মাধ্যমে।



লাইক করুন