রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আল্লাহ কদরের রাতকে হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী জামায়াত আমির হুঁশিয়ারি: সংসদে সমাধান না হলে রাজপথে নামা হবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ, মেহেরপুরে কথিত সাংবাদিক আটক   ৪২ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত দক্ষ নেতৃত্বে আলমডাঙ্গায় প্রশাসনিক গতি: একাধিক দায়িত্ব সামলে সুনাম কুড়াচ্ছেন ইউএনও পান্না আক্তার প্রেম ও মৃত্যু  মতলব উত্তরে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ১, এক মাসের কারাদণ্ড নাব্যতা সংকট বনাম বিআইডব্লিউটিএ’র প্রস্তুতি: কেমন হবে পটুয়াখালীর ঈদযাত্রা? চাঁদপুরে সড়কের ওপর ময়লার স্তুপ, দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ পথচারী লেবাননে যুদ্ধের প্রভাবে বাস্তুচ্যুত প্রায় ১০ লাখ মানুষ

শিক্ষক বদলিতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ডিজিটাল বদলি প্রক্রিয়াকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়ে ভাবছে। এটি জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার সংসদে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষকরা নিজ এলাকার বাইরে বদলি হওয়ার সুযোগ পেতেন না। পরবর্তীতে আগের সরকার কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থার মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া চালু করে, যা বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাভার বৃহত্তর ঢাকার অংশ হওয়ায় সেখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষকেরা বদলির জন্য আবেদন করেন। এই সমস্যা সমাধানে ডিজিটাল ব্যবস্থায় কিছু সংরক্ষণ বা কোটাভিত্তিক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামে কীভাবে পরিবর্তন আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে, কোনো এলাকার শিক্ষক প্রধানত সেই এলাকারই হোন, পাশাপাশি বাইরে থেকেও সীমিতসংখ্যক শিক্ষকের বদলির সুযোগ রাখা। মন্ত্রী বলেন, “আমরা পরীক্ষা করছি কীভাবে বণ্টন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা যায়, যাতে অধিকাংশ শিক্ষক সংশ্লিষ্ট এলাকার হন, তবে বাইরে থেকেও একটি ছোট অংশ রাখা যায়।”

প্রশ্নোত্তর পর্বে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাধারণত স্থানীয়ভাবে কাজ করা উচিত। বিশেষ করে কোনো পদ শূন্য হলে, সেই এলাকায় বাস করা এবং ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকা শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।



লাইক করুন