সোমবার, ০১ জুন ২০২৬, ০১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পাবনার সাঁথিয়ায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত বিচারপতি ভি.আর. কৃষ্ণ আইয়ার: যিনি ন্যায়বিচারকে মানবিক করেছিলেন আলমডাঙ্গার গর্ব ডা. মুকুল: সেবায়, মানবিকতায় এক অনন্য নাম সিয়ামের মুখে হাসি ফিরিয়ে নজির গড়লেন ঝিনাইদহ পুলিশ সুপার অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে চুয়াডাঙ্গার বাড়াদী সীমান্তে নারী শিশু সহ আটক ১০ ঐতিহ্য, স্মৃতিচারণ ও গাছ লাগানোর মধ্য দিয়ে বাস্তপুর দাখিল মাদ্রাসায় জাঁকজমকপূর্ণ ‘ঈদ পুনর্মিলনী-২০২৬’ অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গায় দিনভর শোকাবহ পরিবেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত  আলমডাঙ্গায় অবসরপ্রাপ্ত চাকুরিজীবী কল্যাণ পরিষদের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত কক্সবাজার রেইনভিউ রিসোর্ট ও গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত। সিরাজগঞ্জে সমবয়সী বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত

আলমডাঙ্গার গর্ব ডা. মুকুল: সেবায়, মানবিকতায় এক অনন্য নাম

খন্দকার শাহ আলম মন্টু,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার সন্তান প্রফেসর ডা. মোখলেছুর রহমান (মুকুল) আজ দেশের চিকিৎসা অঙ্গনের এক সুপরিচিত নাম। মস্তিষ্ক, স্নায়ু ও মেরুদণ্ডের জটিল রোগের চিকিৎসায় তাঁর দক্ষতা যেমন রোগীদের আস্থা অর্জন করেছে, তেমনি তাঁর মানবিকতা, বিনয় ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তাঁকে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে দিয়েছে।বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় নিউরোসার্জনদের একজন হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় পর্যায়ে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় স্নায়ুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে তাঁর অর্জিত জ্ঞান, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা দেশের অসংখ্য জটিল রোগীর জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালিয়েছে।তবে একজন চিকিৎসক হিসেবেই নয়, একজন মানুষ হিসেবেও ডা. মুকুল অনন্য। রোগীর সঙ্গে তাঁর আচরণ, মনোযোগ দিয়ে কথা শোনা এবং আন্তরিকভাবে চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়ার মানসিকতা তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। অনেক রোগী ও স্বজনের ভাষ্য, তিনি শুধু রোগের চিকিৎসা করেন না, রোগীর মনোবলও বাড়িয়ে দেন। তাঁর সঙ্গে কয়েক মিনিটের কথোপকথনেই একজন মানুষ উপলব্ধি করতে পারেন—মানবসেবাই তাঁর পেশার মূল দর্শন।চিকিৎসা ক্ষেত্রে তাঁর সাফল্যের পেছনে রয়েছে কঠোর অধ্যবসায় ও দীর্ঘ শিক্ষাজীবন। তিনি এমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি) এবং এমএস (নিউরোসার্জারি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। দেশে নিউরোসার্জারির মতো অত্যন্ত জটিল শাখায় তিনি বহু বছর ধরে কাজ করে অসংখ্য সফল অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করেছেন।আলমডাঙ্গার মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন খ্যাতিমান ডাক্তার নন, একজন গর্বিত সন্তান। নিজ এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে খোঁজখবর নেওয়া, অসহায় রোগীদের পাশে দাঁড়ানো এবং প্রয়োজনে পরামর্শ ও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্যও তিনি পরিচিত। তাঁর বিনয়ী ব্যক্তিত্ব ও সহজ-সরল জীবনযাপন নতুন প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ।দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে যখন দক্ষ ও মানবিক চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তা বাড়ছে, তখন ডা. মোখলেছুর রহমান (মুকুল)-এর মতো ব্যক্তিত্ব চিকিৎসা পেশার মর্যাদা আরও উজ্জ্বল করছেন। তিনি প্রমাণ করেছেন, একজন বড় ডাক্তার হওয়ার পাশাপাশি একজন বড় মনের মানুষ হওয়াও সম্ভব।আলমডাঙ্গার এই কৃতি সন্তান আজ শুধু একটি অঞ্চলের নয়, সমগ্র বাংলাদেশের গর্ব। তাঁর পেশাগত সাফল্য, মানবিক মূল্যবোধ এবং মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা আগামী দিনের চিকিৎসকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।



লাইক করুন