রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌহালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার অভিযোগ, অপসারণের দাবি চৌহালীতে কোদালিয়া খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ও হেলে পড়া বিদ্যুৎ খুঁটি: আতঙ্কে এলাকাবাসী তাড়াশে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল শেখ গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর আমরণ অনশন, উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্য সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বন্যা প্রস্তুতি ও জেলা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় সালাম নামে এক জনের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সিরাজগঞ্জে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর কামারপাড়া বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি লাবলু, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত বেলকুচিতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ

সিরাজগঞ্জে ঘুষ না দেওয়ায় নারী শিক্ষিকা বরখাস্তের অভিযোগ

{"remix_data":[],"remix_entry_point":"challenges","source_tags":["local"],"origin":"unknown","total_draw_time":0,"total_draw_actions":0,"layers_used":0,"brushes_used":0,"photos_added":0,"total_editor_actions":{},"tools_used":{"square_fit":1},"is_sticker":false,"edited_since_last_sticker_save":true,"containsFTESticker":false}

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের বিনায়েকপুর দাখিল মাদ্রাসার সুপারের বিরুদ্ধে ঘুষ দাবি, অনিয়ম ও কর্তৃত্ববাদী আচরণের অভিযোগ উঠেছে। ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানানোয় এনটিআরসি নিয়োগপ্রাপ্ত এক নারী শিক্ষিকাকে বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদ্রাসার সুপার আব্দুস সামাদ শিক্ষক মোমেনা খাতুনের কাছ থেকে চাকরিতে যোগদানের সময় দুই লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। পরবর্তীতে এমপিওভুক্তির নামে আরও ২০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সম্প্রতি অডিট কার্যক্রমের সময় মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকেও অর্থ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, মাদ্রাসার সভাপতি হিসেবে সুপারের স্ত্রী দায়িত্ব পালন করায় প্রতিষ্ঠানটি পারিবারিক প্রভাবের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে। হাজিরা খাতা ও ক্লাস রুটিন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সুপারসহ কয়েকজন শিক্ষক নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। তাঁদের অনুপস্থিতিতে পাঠদান পরিচালনা করছেন মাদ্রাসার আয়া ও পিয়নরা, ফলে শিক্ষার মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে সুপার আব্দুস সামাদ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

উল্লাপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত বলেন, লিখিত অভিযোগের পরপরই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।



লাইক করুন