শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার  দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান, পাকা সড়কে স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর তাড়াশে ট্রাকের ধাক্কায় মাছ ব্যবসায়ীর মৃত্যু তাড়াশে এক রাতে দখল হয়ে গেলো ৬১ বছরের পুরোনো ঈদগাহ মাঠ  বেলকুচিতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত, যানজট ও মাদক নিয়ন্ত্রণে নানা সিদ্ধান্ত

শিক্ষক বদলিতে ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিবর্তনের পরিকল্পনা

নিজস্ব প্রতিবেদক সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ডিজিটাল বদলি প্রক্রিয়াকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার বিষয়ে ভাবছে। এটি জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

রবিবার সংসদে ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, অতীতে শিক্ষকরা নিজ এলাকার বাইরে বদলি হওয়ার সুযোগ পেতেন না। পরবর্তীতে আগের সরকার কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থার মাধ্যমে বদলি প্রক্রিয়া চালু করে, যা বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সাভার বৃহত্তর ঢাকার অংশ হওয়ায় সেখানে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষকেরা বদলির জন্য আবেদন করেন। এই সমস্যা সমাধানে ডিজিটাল ব্যবস্থায় কিছু সংরক্ষণ বা কোটাভিত্তিক ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, সরকার বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামে কীভাবে পরিবর্তন আনা যায় তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। লক্ষ্য হচ্ছে, কোনো এলাকার শিক্ষক প্রধানত সেই এলাকারই হোন, পাশাপাশি বাইরে থেকেও সীমিতসংখ্যক শিক্ষকের বদলির সুযোগ রাখা। মন্ত্রী বলেন, “আমরা পরীক্ষা করছি কীভাবে বণ্টন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা যায়, যাতে অধিকাংশ শিক্ষক সংশ্লিষ্ট এলাকার হন, তবে বাইরে থেকেও একটি ছোট অংশ রাখা যায়।”

প্রশ্নোত্তর পর্বে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সাধারণত স্থানীয়ভাবে কাজ করা উচিত। বিশেষ করে কোনো পদ শূন্য হলে, সেই এলাকায় বাস করা এবং ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত থাকা শিক্ষককে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।



লাইক করুন