রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌহালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার অভিযোগ, অপসারণের দাবি চৌহালীতে কোদালিয়া খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ও হেলে পড়া বিদ্যুৎ খুঁটি: আতঙ্কে এলাকাবাসী তাড়াশে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল শেখ গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর আমরণ অনশন, উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্য সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বন্যা প্রস্তুতি ও জেলা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় সালাম নামে এক জনের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সিরাজগঞ্জে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর কামারপাড়া বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি লাবলু, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত বেলকুচিতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ

ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে ভুয়া নিয়োগ প্রমাণিত: অধ্যক্ষের এমপিও বাতিলের নির্দেশ বিবেচনায়

নিজস্ব প্রতিবেদন: নীলফামারী জেলার ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক পদে ভুয়া নিয়োগ ও বিধি বহির্ভূত এমপিওভুক্তির অভিযোগ তদন্তে সত্য প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় কলেজের অধ্যক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রভাষক মোছাঃ হালিমা খাতুনের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাঈন উদ্দিন স্বাক্ষরিত ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখের স্মারক (নং ৩৭.০২.০০০০.০০০.১০৫-২৭.০০৪৭.২৩.৭৯২)-এ এই নির্দেশনা জারি করা হয়। অভিযোগটি দাখিল করেন চাকরিপ্রার্থী জাকারিয়া হোসেন, যিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন— ইনডেক্সবিহীন এক প্রার্থীকে তৃতীয় শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে এমপিওভুক্তির চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে আসে, ২০১০ সালের নিয়োগে নিবন্ধনধারী প্রার্থী থাকলেও মোছাঃ হালিমা খাতুনকে প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়, যা বিজ্ঞপ্তির শর্ত লঙ্ঘন করে। অভিযোগকারী জাকারিয়া হোসেন সে সময় নিবন্ধনধারী ছিলেন (রোল: ৪০৮১০৪৭৬, ফল প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০), অপরদিকে হালিমা খাতুন ইনডেক্স পরীক্ষায় অংশ নেন ২০১৫ সালে (রোল: ৪০৮০৩২৪৮, ফল প্রকাশ: ৯ নভেম্বর ২০১৫)।

তদন্ত দল আরও জানায়, ২০১৪ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত মূল খাতা, আবেদনপত্র ও ফলাফলশিট কলেজ কর্তৃপক্ষ দেখাতে ব্যর্থ হয়। সরেজমিন তদন্তে দেখা যায়, ২০১০ ও ২০১৫ সালের নিয়োগ সংক্রান্ত মূল নথিপত্র অনুপস্থিত।

তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়,“ডিমলা ইসলামিয়া ডিগ্রি কলেজের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম ও অসঙ্গতি রয়েছে এবং তৎকালীন অধ্যক্ষ প্রকৃত নিয়োগবিধি লঙ্ঘন করে মোছাঃ হালিমা খাতুনকে নিয়োগ প্রদান করেছেন।”

অধিদপ্তর জানায়, বিধি বহির্ভূতভাবে নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক এমপিওভুক্তির আবেদন করায় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা–২০২১ এর ১৭.২, ১৮.১(৫) ও ১৮.১(চ) ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট অধ্যক্ষের এমপিও বাতিলসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয় বিবেচনায় রয়েছে।

একই সঙ্গে অধ্যক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে— কেন তার এমপিও বাতিল করা হবে না এবং কেন অভিযোগকারী জাকারিয়া হোসেনকে নিয়োগের পদক্ষেপ নেওয়া হবে না— সে বিষয়ে ৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদান করতে।

চিঠিটি অনুলিপিসহ প্রেরণ করা হয়েছে রংপুর অঞ্চলের পরিচালক, জেলা শিক্ষা অফিসার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এবং কলেজের গভর্নিংবডির সভাপতির নিকট মতামত প্রদানের অনুরোধসহ।



লাইক করুন