সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে সিএনজি চালকের মরদেহ উদ্ধার  তাড়াশে নববুধসহ দু নারীর মৃত্যু অযত্ন-অবহেলায় ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে বেলকুচি টেলিফোন অফিস, পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবনের অভিযোগ তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির অর্থায়নে গ্রামবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তার কাজ বন্ধ চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার 

কুয়াকাটার আনন্দঘন দিনগুলো (১ম দিনের ভ্রমণ)

কুয়াকাটার আনন্দঘন দিনগুলো (১ম দিনের ভ্রমণ)
হাসনাইন সাজ্জাদী
ট্যুরিজম আইকনিক অ্যাওয়ার্ডন ২০২৫ পাবো
২০ জুলাই রোবাবর বিকাল ৫ টায় খান প্যালেস অডিটোরিয়ামে। গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের উদ্যোগে “পর্যটন শিল্পের বিকাশে কুয়াকাটার সম্ভাবনা” শীর্ষক এক সেমিনার, তথ্যচিত্র প্রদর্শনী ও ট্যুরিজম আইকনিক অ্যাওয়ার্ড ২০২৫ প্রদান অনুষ্ঠানে এ সম্মান লাভ করবো।
১৯ তারিখ রাতে তাই যাত্রা করি কুয়াকাটার পথে। আগেই টিকিট নেয়া ছিল। সায়েদাবাদ থেকে যাত্রা করি রাত ১টায়। আমার ভ্রমণ সঙ্গী ছিলেন কবি ও সাংবাদিক লোকমান হোসেন পলা। তিনিও ট্যুরিজম আইকনিক এওয়ার্ড লাভ করেন। রাত পৌনে তিনটায় কার্প্যুর জনপদন গোপালগঞ্জের জমজম রেস্তোরাঁয় ২০ মিনিট যাত্রা বিরতি দিয়ে চলন্ত গাড়িতেই মাঝেমধ্যে চোখ মেলে দেখলেও তা ছিল ঘুম ঘুম দেখা। সকাল পৌনে ৬টায় যখন পটুয়াখালী জেলা সদর পার হচ্ছি তখন চোখে মুখে বিস্ময়। এ কী দেখছি আমি আর কী ভেবেছি এতকাল। সিলেটকে এতদিন সবুজের দেশ ভেবে এসেছি আমি। এখন দেখছি পটুয়াখালীর কাছে সিলেট কিছুই না। পটুয়াখালী মানে সবুজ আর সবুজ। এক কথায় নিরবচ্ছিন্ন সবুজ। মাঠঘাট গাছপালা রাস্তার দু’পাশে যা দেখছি তা এককথায় সবুজ রঙে শিল্পীর তুলির আঁছড়।

ভোর ৭টার মধ্যে পৌঁছে গেলাম নির্ধারিত হোটেল সোনার তরীতে। হোটেলের রেস্তোরাঁ চালু হয়নি। তাই পকেট থেকে টাকা দিয়ে নাস্তা আনিয়ে নিলাম। এটাই নিজের টাকায়। রুম ভাড়াটা ফ্রি। প্রশাসনের উপর থেকে এই ব্যবস্হা আশীর্বাদস্বরূপ ছিল। নাস্তা খেয়ে ঘুম দিলাম। তারপর দুপুরে উঠে গোসল সেরে সৈকতে। নাক বরাবর সামান্য পথ হেঁটে গিয়েই সৈকত।
কুয়াকাটা পরিচয়ঃ
কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে, পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত সমুদ্র সৈকত ও পর্যটন কেন্দ্র। এটি বরিশাল বিভাগের অন্তর্গত। কুয়াকাটা পরিচিত “সাগর কন্যা” নামে। এটি এমন একটি বিরল স্থান, যেখান থেকে পর্যটকরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পারেন।
নামের উৎপত্তিঃ
কুয়াকাটা নামের উৎপত্তি হয়েছে “কুয়া” (পানির কুয়া/কূপ) শব্দ থেকে। রাখাইন জনগোষ্ঠী প্রাচীন কালে এখানে বসবাস শুরু করলে তারা খাবার পানির জন্য কুয়া খনন করে, আর সেখান থেকেই এ নামকরণ।

সৌন্দর্য ও আকর্ষণঃ
১. সমুদ্র সৈকতঃ
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ, যা বিস্তৃত প্রাকৃতিক দৃশ্যপট ও পরিচ্ছন্ন বালুকাময় তটরেখা দিয়ে ঘেরা। এখানে নরম বালির ওপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বিশাল সাগরের ঢেউ উপভোগ করা যায়। তবে প্রকৃত পক্ষে সৈকতের দৈর্ঘ্য আরো কয়েকগুণ বেশি।
২. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তঃ
কুয়াকাটার প্রধান আকর্ষণ হলো সমুদ্রের গা ঘেঁষে দিগন্ত বিস্তৃত আকাশে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখা। এটি একটি দারুণ রোমাঞ্চকর ও মনমুগ্ধকর অভিজ্ঞতা।
৩.. রাখাইন পল্লী ও সংস্কৃতিঃ
এখানে বসবাসরত রাখাইন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি, পোশাক, খাবার এবং প্রাচীন বৌদ্ধ মন্দিরগুলো পর্যটকদের আকর্ষণ করে। মিশ্রীপাড়া বৌদ্ধ মন্দিরে রয়েছে প্রাচীন বুদ্ধমূর্তি।
৪. শুটকি পল্লীঃ
কুয়াকাটার পাশে রয়েছে শুটকি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, যেখানে মাছ শুকিয়ে শুটকি তৈরি করা হয়। এটি দেখতে অনেক পর্যটক ভিড় করেন।
৫. গঙ্গামতির চর, ঝাউবন ও ফল্গুনী বন:
এখানকার চরাঞ্চল ও ঝাউবন প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য এক স্বর্গরাজ্য। গঙ্গামতির চরে পাখির কলকাকলি, হরিণের আনাগোনা আর সবুজ বনভূমি কুয়াকাটাকে করে তুলেছে অনন্য।

উপসংহারঃ
কুয়াকাটা শুধু একটি পর্যটন কেন্দ্র নয়, বরং এটি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অনুপম উপহার। সমুদ্র, সূর্য, সংস্কৃতি, বন ও ইতিহাস—সব মিলিয়ে কুয়াকাটা এক অপার সৌন্দর্যের নাম। তাই কুয়াকাটায় একবার নয়, বারবার যেতে মন চায়।

কুয়াকাটার স্পটভিত্তিক পর্যটন বিশ্লেষণ করবো পরের অধ্যায়ে।
আমার কাছে মনে হয়েছে কক্সবাজার থেকেও কুয়াকাটা পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ। প্রথম দুপুরে কিছু ছবি তুলে জিরো পয়েন্টে এসে দুপুরের খাবার খেয়ে নিয়ে রুমে ফেরা। সেখান থেকে নির্ধারিত সময়ে খান প্যালেস অডিটোরিয়ামে পৌঁছাই। যথা সময়ে আয়োজন শুরু হয়। সংগঠনের মহসচিব সালাম মাহমুদ সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির অনুপস্থিতে প্রধান আলোচক ছিলেন দক্ষিণ বাংলার গুণী রাজনীতিবিদ এ বি এম মোশাররফ হোসেন( প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক, বিএনপি-জাতীয় নির্বাহী কমিটি)। আরো উপস্থিত ছিলেন একুশে পদক বিজয়ী বরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী ফেরদৌস আরা, কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স এসোসিয়েশনর সভাপতি এম এ মোতালেব শরীফ প্রমুখ। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, গ্লোবাল এভিয়েশন এন্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সহসভাপতি জামিউর রহমান লেমন । মঞ্চে এ সময় এসোসিয়েনের কর্মকতা বিশিষ্ট সাংবাদিক হাফিজ রহমান উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে গুণীজনদের মধ্যে ‘ট্যুরিজম আইকনিক অ্যাওয়ার্ড–২০২৫” অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। বিশ্বসাহিত্যে বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের সূত্রপাত, কবিতাবিজ্ঞানের উপস্থাপন এবং জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া,সিঙ্গাপুরপুর,থাইল্যান্ড, নেপাল,ভারত মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি দেশে বিজ্ঞান কবিতা নিয়ে একাধিক বার ভ্রমণের স্বীকৃতিস্বরূপ একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মাননায় ভূষিত কবিতাবিজ্ঞানী, সাংবাদিক, গবেষক, ক্যারম ফেডারেশনের স্পোর্টস আম্পায়ার, লোকসাহিত্য ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ইত্যাদি পরিচয়ের ভারে জর্জরিত করে আমাকে গ্লোবাল এভিয়েশন অ্যান্ড টুরিজম জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (গাটজা) -ট্যুরিজম আইকনিক এওয়ার্ড২০২৫ প্রদান করে।
আমাকে এর আগে কেএসপি সাংস্কৃতিক জোট থেকে উপরোক্ত অবদানের জন্য “শেরে বাংলা আইকনিক লাইফ টাইম এচিভমেন্ট এওয়ার্ড ২০২৫” প্রদান করা হয়। এওয়ার্ড এগুলো আমার প্রথম নয়। বাংলাদেশ ও ভারত থেকে আমি বিজ্ঞান কবিতা, সাংবাদিকতা ও সমাজসেবায় ৫০টির অধিক সম্মাননা লাভ করেছি। তারমধ্যে মহাত্মা গান্ধী শান্তি পদক, মাদাম তেরেসা সেবা পদক, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এওয়ার্ড, কবি নজরুল সাহিত্যপদক, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক নেতৃত্ব পদক, বাশিসাসাপ এওয়ার্ড, স্রোত এওয়ার্ড, তিনকাল এওয়ার্ড , বাংলাদেশ ভারত মৈত্রী এওয়ার্ড , বাংলাদেশ ভারত সম্প্রীতি সম্মাননা, ট্রাব এওয়ার্ড, জাগরণী নৃত্যকলা পদক, সিলেট বিভাগ উন্নয়ন সংস্থা পদক, আমরা কুঁড়ি শিশুকিশোর পদক, জীবনানন্দ সাহিত্য পদক অন্যতম।
এই সম্মাননাগুলো আমাকে আরও দায়িত্বশীল করে তুলেছে। আমি তাই আমার লেখার মাধ্যমে জাতিকে বিজ্ঞানমনস্ক করতে বদ্ধপরিকর। একই সঙ্গে আমি দেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও সৌন্দর্য বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে চাই।
আমার লেখা ৪৮ টি গ্রন্থের সবক’টি উপরোক্ত ধারার। তাঁর আলোচিত বইসমূহ হচ্ছে- বিজ্ঞান কবিতার রূপরেখা, ছোটোদের বিজ্ঞানবাদ, বিজ্ঞানবাদের কাব্যতত্ত্ব, কবিতাবিজ্ঞান, কবিতায় বিজ্ঞান অ-বিজ্ঞান, বিজ্ঞানধর্ম মননে অন্বেষণে, বিজ্ঞান কবিতার রোমান্টিকতা ও বিবিধ, বিজ্ঞান যুগের সাংবাদিকতা, জাপানে বঙ্গবিদ্যা ও বাংলাদেশের বিজ্ঞান কবিতা, হে স্বপ্ন হে বিজ্ঞান কবিতা, প্রেম একমুঠো নীল, একশ কোটি তেজস্ক্রিয়তা, সময় বদলে গেছে, এখানে একদিন, ভালোবাসার বড়ো কিছু, ভালোবাসার হার্ডডিস্ক, সিলেটের লোকসাহিত্যে ব্যাক্তিমানস ও সমাজ, ৮ ডিসেম্বর মৌলভীবাজার মুক্তদিবস, আকাশ জুড়ে বঙ্গবন্ধু, মুজিব বর্ষের ছড়া, রোবটের গল্প, ভিনগ্রহের এলিয়েন, আবিষ্কার যখন মজার গল্প, বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানী, বিজ্ঞান কাব্যতত্ত্ব ও সাবলীল ছন্দ, জাপান ভ্রমণলিপি, মহাবিশ্বের মহাবিস্ময়, আমাদের পৃথিবী, চলো চাঁদে যাই, রহস্যেভরা সমুদ্র তল, প্রকৃতি ও পরিবেশ, ছন্দ ছড়ায় বর্ণমালা, পাশের বাড়ির সেই রোবট, যত এডভেঞ্চার, মৃত্যুর কোনো স্বাদ নেই, চোখগুলো একদিন বাড়িতে নিয়ে যাবো শোকেসে তুলে, কমলা রঙের রোদ, সাংবাদিকতার অ আ ক খ, সহজ সাংবাদিকতা কেমন করে, সভ্যতা পুঁজিতন্ত্র ও বিজ্ঞানবাদ, Poetry Theory of Scientism প্রভৃতি অন্যতম।
ছোটদের বিজ্ঞানবাদ গ্রন্থে – বিজ্ঞানের রাষ্ট্রতত্ত্বের ধারণাকে শিশুদের জন্য সহজ করে উপস্থাপন করেছি।
চলো চাঁদে যাই- গ্রন্থ কল্পবিজ্ঞান ও মহাকাশভিত্তিক ভ্রমণ কাহিনি, রহস্যে ভরা সমুদ্রতল- সাগরের নিচের বৈজ্ঞানিক রহস্য তুলে ধরা হয়েছে। ভিনগ্রহের এলিয়েন-কল্পিত এলিয়েন ও মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে লেখা শিশুতোষ গ্রন্থ। বিজ্ঞান যুগের সাংবাদিকতা – গণমাধ্যমে বিজ্ঞানের ব্যবহার ও ভূমিকা আদর্শ সাংবাদিকতা নিয়ে লেখা গ্রন্থ। বিজ্ঞানবাদের কাব্যতত্ত্ব – বিজ্ঞান ও কবিতার মেলবন্ধন নিয়ে লেখা।
আবিষ্কার যখন মজার গল্প – গ্রন্থ বিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার নিয়ে লেখা। পৃথিবী বদলে দেয়া যত আবিষ্কার – শিশুতোষ বিজ্ঞান গ্রন্থ। বিজ্ঞানকাব্যতত্ত্ব ও সাবলীল ছন্দ – গ্রন্থ বিশ্বসাহিত্যের জন্য প্রাগ্রসর কাব্যতত্ত্ব।

আমার সবগুলো বই পাওয়া যাচ্ছে: rokomari.com/Hasnain Sajjadi সাইটে। ভারত থেকে প্রকাশিত গ্রন্থগুলো পাওয়া যায় আমাজন. কম-এ।
আমাকে নিয়ে লেখা গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে গিয়াসউদ্দিন চাষার লেখা ‘ পাশ্চাত্য সাহিত্যতত্ত্বের আলোকে হাসনাইন সাজ্জাদীর বিজ্ঞানকাব্যতত্ত্ব, লোকমান হোসেন পলার লেখা ‘ হাসনাইন সাজ্জাদীর বিজ্ঞান কাব্যরীতি, সাহিত্যতত্ত্বের বিচারে হাসনাইন সাজ্জাদীর বিজ্ঞানকাব্য ও সম্পাদিত গ্রন্থ ‘ বাংলা সাহিত্যের প্রধান বিজ্ঞান কবি হাসনাইন সাজ্জাদীর ৬০ তম জন্মোৎসব স্মারক’।
আমার জন্ম ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আমির মঞ্জিলে। আমার দাদা লোকসাহিত্যিক, লোকসংগীত শিল্পী ও ভাষা সংগ্রামী আমির সাধু। বাবা আধ্যাত্মিক সাধক সুফী কারী মো. সাজ্জাদ আলী। আমি বাংলা সাহিত্যে বিএ অনার্স সহ এম এ ডিগ্রিধারী। আমার বিশেষ লক্ষ্য কবিতা ও বিজ্ঞানকে একসঙ্গে করে কবিতার বাককে বিজ্ঞানমুখী করা।
আমি বিজ্ঞানবাদ ও বিজ্ঞানকাব্যতত্ত্ব নিয়ে জাপানের টোকিও ইউনিভার্সিটি অব ফরেন স্ট্যাডিজে থিয়োরি উপস্থাপন করেছি
আমার বিজ্ঞান কবিতার থিয়োরি দিয়ে উত্তর আমেরিকার নর্থ ক্যারোলিনা রাজ্যের ইভেন্ট হরাইজন ম্যাগাজিন ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ৫০০ ডলারের বিজ্ঞান কবিতার প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল। এপ্রিল আমেরিকায় কবিতার মাস। ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দের ২ এপ্রিল অনলাইন সংখ্যা নিউজ উইক ম্যাগাজিন বিজ্ঞান কবিতা সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞান সমাজ প্রতিষ্ঠা করা আমার জীবনের লক্ষ্য।
জাতীয় কবিতা পরিষদের আমি দপ্তর সম্পাদক এবং বিজ্ঞানবাদ চর্চাকেন্দ্রের সভাপতি। এছাড়াও সাইন্টিজম পোয়েট্রি ইনস্টিটিউটের আমি প্রতিষ্ঠাতা এবং বিজ্ঞান কবিতা আন্দোলনের সভাপতি। ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি ফর রুরাল পিপল নামে একটি সেবামূলক ও বাংলাদেশ সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সংস্থার আমি চেয়ারম্যান এবং আমির সাধু অপেরার যাত্রা নির্দেশক ও প্রতিষ্ঠাতা। আমি টেলিভিশন জার্নালিস্টদের একাধিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলাম। বিশ্ববাঙালি সংসদের প্রধান উপদেষ্টা সহ অসংখ্য সংগঠনের আমি উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে শিল্পসাহিত্য ও সংস্কৃতির সেবা করছি।
চলবে



লাইক করুন