শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
তাড়াশে নববুধসহ দু নারীর মৃত্যু অযত্ন-অবহেলায় ঝোপজঙ্গলে ঢেকেছে বেলকুচি টেলিফোন অফিস, পরিত্যক্ত ভবনে মাদকসেবনের অভিযোগ তাড়াশে এক ব্যক্তির বাধায় এডিপির অর্থায়নে গ্রামবাসীর একমাত্র চলাচলের রাস্তার কাজ বন্ধ চলাচলের রাস্তায় ঈদগাহ মাঠের প্রাচীর তাড়াশে অবরুদ্ধ ৪০টি পরিবার তাড়াশে গ্রাম্য বিরোধে একমাত্র রাস্তায় বেড়া দিয়ে অবরুদ্ধ দুটি পরিবার এনায়েতপুরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ নেতা হাসমত উল্লাহর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন এনায়েতপুরে নারী হেল্প ডেক্স সেবা সম্পর্কে অবগত করন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত ‎ সলঙ্গায় চাঁদাবাজির অভিযোগ তুলে ধরায় অপহরণের চেষ্টা, ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা বেলকুচিতে প্রভাব দেখিয়ে রাস্তা নির্মাণের চেষ্টা, আতঙ্কে বৃদ্ধ পরিবার  দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান, পাকা সড়কে স্বস্তি ফিরেছে এলাকাবাসীর

এবার সত্তর উর্ধ্ব নারীও ধর্ষণের হাত থেকে রেহাই পেলনা

হামিদুল হক মন্ডল গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের আলীনগর গ্রামে ৭০ উর্ধ্ব এক বৃদ্ধা নারীকে হাত-মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ১৯ অক্টোবর রবিবার দুপুরে আলীনগর গ্রামের নির্জন হলুদের জমিতে এ ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটেছে। ধর্ষিতা বর্তমানে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও ধর্ষক আইয়ূব আলী পলাতক রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,ভুক্তভোগী বৃদ্ধা সাত সন্তানের জননী। তিনি প্রতিদিনের মতো দুপুরে গরু-ছাগল চরাতে মাঠে গিয়েছিলেন। এ সময় একই গ্রামের দুই সন্তানের জনক আকবর আলীর পুত্র আইয়ুব আলী (৫০) নারী লোভী লম্পট সুযোগ বুঝে তার হাত-মুখ বেঁধে পাশের হলুদের ও অন্যান্য ফসলে ঘেরা জমিতে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

পরবর্তীতে এলাকাবাসী ও স্বজনেরা বৃদ্ধাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাদুল্লাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়। এ ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ব্যক্তি আইয়ুব আলী পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। তারা দ্রুত দোষীকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন। লম্পট আইয়ুব আলী ইতিপূর্বে অনুরূপ একাধিক ঘটনা ঘটিয়ে জরিমানা দিয়ে মুক্তি মিলেছে বলে দাবী করেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীরা জানায়,আজ লম্পট আইয়ূব আলী সে এই মহিলাকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ভেবে বাড়ি এসে গোসল করে দোকান পাড়ে বসে ছিলো। যখন সে জানতে পারে মহিলা বেঁচে আছে ও বাড়িতে নাম বলেছে তখনই সে পালিয়ে যায়।

ধাপেরহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ স্বপন কুমার বলেন,ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে,অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। সাদুল্লাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ তাজ উদ্দিন খন্দকার গণমাধ্যমে জানান,দোষীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে মানবাধিকার কর্মী ও স্থানীয় সমাজকর্মীরা দাবী করেন,একজন বয়োবৃদ্ধা নারীও আজ নিরাপদ নয়—এটি সমাজের নৈতিক অবক্ষয়ের চরম দৃষ্টান্ত। অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

 



লাইক করুন