রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চৌহালীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক অক্ষমতার অভিযোগ, অপসারণের দাবি চৌহালীতে কোদালিয়া খালের ওপর ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সাঁকো ও হেলে পড়া বিদ্যুৎ খুঁটি: আতঙ্কে এলাকাবাসী তাড়াশে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা বাবুল শেখ গ্রেফতার বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে স্কুলছাত্রীর আমরণ অনশন, উল্লাপাড়ায় চাঞ্চল্য সিরাজগঞ্জে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন সিরাজগঞ্জে বন্যা প্রস্তুতি ও জেলা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত সলঙ্গায় সালাম নামে এক জনের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ সিরাজগঞ্জে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে মাদকবিরোধী আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এক যুগ পর কামারপাড়া বাজার বণিক সমিতির নির্বাচন: সভাপতি লাবলু, সম্পাদক আনোয়ার নির্বাচিত বেলকুচিতে ব্র্যাকের উদ্যোগে ভার্মি কম্পোস্ট প্রশিক্ষণ ও উপকরণ বিতরণ

কবিতা এবং আমি

বাবা মোহম্মদ আব্দুল মান্নান একজন সনেট কবি ছিলেন , ছোটবেলা থেকেই কবিতায় বেড়ে উঠেছি , সকালে ঘুম ভাঙত বাবার কবিতা আবৃত্তি শুনে । সাহিত্যের প্রতি খুব ঝোঁক ছিলো একদম শিশুবয়স থেকেই , গল্প উপন্যাস প্রবন্ধ পত্রিকা নেশার মতন পড়তাম তবে কবিতায় আসক্ত ছিলাম না কখনও । পড়তাম বাবার কবিতা কিন্তু নিজে কবিতা লিখবো কখনও ভাবিনি । বরং গল্প উপন্যাসের প্রতি আমার ঝোঁক ছিলো সবসময় ।

নিজে গল্প উপন্যাস লিখতে চাই ভেবেছি মনে মনে ,এখনও ভাবি গল্প উপন্যাস বা ভ্রমন কাহিনী লিখতে চাই কিন্তু বাবার মৃত্যুর অব্যবহিত পূর্বে যখন কবিতা লেখা শুরু করলাম তখন থেকে এই পর্যন্ত কবিতায়ই আছি । গভীর প্রেম কবিতায় তার সাথে পিতার শেষ ইচ্ছা জীবনকে কবিতাময় করে তুলেছে । এর সাথে যুক্ত হয়েছে কবিতায় অসংখ্য পাঠকের ভালোবাসা দেশ বিদেশ থেকে । কত মানুষ যোগাযোগ করে কবিতা পড়ে লেখককে ভালোবেসে হয়ত সবার সাথে ব্যাক্তিগত উত্তর করা সম্ভব হয় না । বা কবিতায়ও কমেন্টের জবাব দিতে পারি না সবসময় সময়ের সিমাবদ্ধতার কারনে যেহেতু প্রতিদিনই নতুন কবিতা লিখতে চাই । এইজন্য আমি ক্ষমাপ্রার্খী আমার অগনিত ভক্ত পাঠকদের কাছে । কেউ কেউ তাদের পত্রিকার জন্য কবিতা চায়। কেউ ফেসবুক থেকে নিয়ে অনলাইন পত্রিকায় ছাপিয়ে ইনবক্সে পাঠায় । কৃতজ্ঞতা সকলের প্রতি ভালোবেসে পাশে থেকে উৎসাহিত করবার জন্য ।

তেমনই একজন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অমরপুর ত্রিপুরা থেকে প্রকাশিত জ্বালামুখী সাহিত্য বাংলা পত্রিকার শারদ সংকলন প্রকাশের জন্য আমার কাছ থেকে সম্পাদক কবি সুহৃদ সুবীর সেন ঘোষ একটি কবিতা নিয়েছিলেন । পত্রিকা প্রকাশিত হওয়ার পর উনার পাঠানো পত্রিকার ভেতর ছবিতে নিজের লেখা কবিতা পড়তে পেয়ে খুব আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করেছি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা কবি সুবীর সেন ঘোষকে বাংলা ভাষা দেশ বিদেশ যুগ কাল সময়কে অতিক্রম করে সকল আপামর বাংলা প্রেমী মানুষদের কাছে পৌছে দেওয়ার জন্য ।

হেমন্তের কোন পাখি হয়ে এসো

শাহনাজ পারভীন মিতা

আবার যদি দেখা হয়
এ জনম নয় আরেক জনম
তখন ঠিক তুমি দাঁড়াবে
আমার বেলকোনির উল্টো পাশে
ওই মাঠের কোণায়।

 

যখন কৈশোরের শেষ বিকেল
সন্ধ্যা নেমেছে পৃথিবীর বুকে
মাঠের ঘাঁসগুলো হেমন্তের
শিশিরে ভিজে, যেমন ভিজে যায়
তুমিও ছুঁয়ে যাবে তেমনই আমায়
এক পরিপূর্ণ বিস্ময় ভালোবাসায়।

 

কিশোরীর স্বপ্ন সকাল,
গহীন দুপুর গল্প বিকেল,
একাকী বিঁষন্ন সন্ধ্যা
তারপর স্বপ্ন দেখা রাত্রিতে।

 

সেই প্রহরে একটু একটু করে
রাত নেমে আসবে
পৃথিবীর পরে,
মায়াবী চাঁদ অপার জোছনায়।

 

মনের গভীরে পূর্ণেন্দু পত্রীর
প্রেমের কথোপকথন,
এবার যাও ঠান্ডা লাগবে
হিম বাতাসে!

মনে মনে বলবো আমি তোমায়,
তবুও তুমি দাড়িয়ে থাকবে
ওই ল্যামপোস্টের আলোর মত
ভোরের অপেক্ষায়।

 

সেই ভোর, সেই শিশির ঝরা সকাল
ফিরে কী আসবে আবার,
হয়ত মানুষ নয়;
হেমন্তের কোনো পাখি হয়ে
পরজনম বলে যদি সত্যি কিছু হয়।



লাইক করুন