দর্শনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুল ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনিরুজ্জামান সুমনে নামে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে স্পষ্ট জবাব: সত্যের মুখোমুখি দাড়ান…..
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি একটি অডিও রেকর্ড কেন্দ্র করে আমাদের (প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক) জড়িয়ে কিছু বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা চলছে। সংবাদকর্মী হিসেবে পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে এবং জনমনে সত্য উন্মোচনের লক্ষ্যে পুরো বিষয়টি তথ্য-প্রমাণসহ নিচে স্পষ্ট করা হলো:
আসল ঘটনা কী ছিল? (তারিখ ও প্রমাণসহ)
২৩ মে, ২০২৬: ওই মেয়েটি নিজেই প্রথম প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল হক পিপুলের মেসেঞ্জারে নক দিয়ে বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, চাচা আমি আপনার সাথে একটু কথা বলতে চাই। (যার স্পষ্ট স্ক্রিনশট আমাদের কাছে সংরক্ষিত আছে)।
সম্পর্কের প্রমাণ ও প্রতারণা: এরপর মেয়েটি জানায়, ‘রিয়েল ইসলাম লিওন’ নামের একটি ছেলে তার সাথে দীর্ঘ ৬ মাস যাবত প্রেমের সম্পর্ক রেখে প্রতারণা করেছে। তার কাছ থেকে একাধিকবার মোটা অঙ্কের (৭০ হাজার) টাকা ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নিয়েছে। প্রমাণস্বরূপ মেয়েটি সভাপতির ফোনে ৭০টি স্ক্রিনশট পাঠায়, যা তাদের সম্পর্কের গভীরতা ও লিওনের প্রতারণাকে শতভাগ প্রমাণ করে।
২৮ মে, ২০২৬: মেয়েটি আমার (মনিরুজ্জামান সুমন সাধারণ সম্পাদক) ফোনেও যোগাযোগ করে একই অভিযোগ করে। আমাদের কাছে এমন ২০টিরও বেশি অডিও রেকর্ডিং আছে, যেখানে মেয়েটি কান্নাকাটি করে বলেছে লিওন তার জীবন শেষ করে দিয়েছে, এবং তার বাবা, ও দুই ভাইকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। এমনকি মেয়েটি চরম হতাশায় বলে, আপনারা কিছু একটা করেন, না করলে আমার আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে হবে।
আমাদের পেশাদারিত্ব বনাম লিওনের লুকোচুরি:সাংবাদিকতার নীতি মেনে আমরা একপেশে কোনো খবর প্রকাশ করিনি। অভিযুক্ত রিয়েল ইসলাম লিওনের বক্তব্য নেওয়ার জন্য আমরা বারবার চেষ্টা করেছি।
১. প্রথম দিন: লিওনকে ৪ বার ফোন দেওয়ার পর ৫ম বারে সে ফোন ধরে বলে এটি ‘রং নাম্বার’। (যার অডিও রেকর্ড আছে)।
২. দ্বিতীয় দিন: আবারও মেয়েটির অভিযোগের প্রেক্ষিতে তার বক্তব্য জানতে ৪ বার ফোন দেওয়া হলেও সে রিসিভ করেনি (স্ক্রিনশট আছে)।
৩. হোয়াটসঅ্যাপে উল্টো হুমকি: পরবর্তীতে সে নিজেই হোয়াটসঅ্যাপে সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মীকে ব্যাক করে নিজের অপরাধ ঢাকতে দাবি করে তার বিরুদ্ধে নাকি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি-সেক্রেটারির সাথে তার ব্যক্তিগত শত্রুতা আছে।
আমাদের প্রশ্ন: লিওনের মতো একটা ছেলের সাথে প্রেসক্লাবের সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকার প্রশ্নই আসে না।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা সবার জানা দরকার: পরিচয় গোপন রাখা: আমরা মেয়েটির বা তার বাবার কোনো পরিচয় আমাদের কোনো সংবাদে প্রকাশ করিনি। তাদের সম্মান রক্ষার্থে পরিচয় সম্পূর্ণ গোপন রাখা হয়েছিল।
নোংরা রাজনীতি ও ফেক আইডি: মেয়েটির বাবাকে জড়িয়ে বা ‘আওয়ামী লীগের ট্যাগ’ দিয়ে যে সমস্ত নোংরা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তা রিয়েল ইসলাম লিওনের নিজস্ব আইডি এবং কিছু ফেক আইডি থেকে ছড়ানো হচ্ছে।
মূল সত্য অপরিবর্তিত: বর্তমানে যে অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, সেখানেও কিন্তু লিওনের সাথে মেয়েটির সম্পর্ক, টাকা-পয়সা লেনদেন বা মোবাইল ফোন নেওয়ার বিষয়টি মেয়েটি অস্বীকার করেনি বা মিথ্যা বলেনি। তাহলে এখন কোন অজ্ঞাত কারণে বা কার চাপে মেয়েটি ভিন্ন কথা বলছে, তা সহজেই অনুমেয়।
শেষ কথা:
আমরা তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে সাংবাদিকতা করি, কারও ব্যক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য নয়। মেয়েটির দেওয়া ৭০টি স্ক্রিনশট, ২০টির বেশি অডিও রেকর্ড এবং লিওনের “রং নাম্বার” বলার অডিও প্রমাণসহ সবকিছু আমাদের টেবিলে মজুদ আছে। ষড়যন্ত্র করে, ফেক আইডি দিয়ে সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না।